ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

পরিবেশবান্ধব পূজা আয়োজনে কয়েক নির্দেশনা

পরিবেশবান্ধব পূজা আয়োজনে কয়েক নির্দেশনা
×
×

ছবি- সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩:১১

শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের পূজা উদ্‌যাপন কমিটিগুলোর জন্য ২৬ দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ। নির্দেশনায় প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার, বিকল্প বিদ্যুৎব্যবস্থা রাখা, অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ, উচ্চ শব্দে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার না করা এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পরিষদের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পূজার আয়োজন করতে হবে সর্বোচ্চ পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে। প্লাস্টিকের পরিবর্তে পরিবেশসম্মত উপকরণ ব্যবহার করতে হবে। বিদ্যুতের অপচয় রোধে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

বিদ্যুৎবিভ্রাটের সময় জরুরি সেবা সচল রাখতে জেনারেটর, ইউপিএস, সৌরবিদ্যুৎ, চার্জার লাইট বা অনুরূপ বিকল্প বিদ্যুৎব্যবস্থা প্রস্তুত রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ-সংযোগের ক্ষেত্রে উন্নত মানের তার ও নিরাপদ সংযোগব্যবস্থা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে উচ্চ শব্দে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার, আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ধর্মীয় ও ভক্তিমূলক সংগীতের বাইরে অন্য গান বাজানো থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পূজার পরিবেশ যেন আশপাশের মানুষের অসুবিধা বা শব্দদূষণের কারণ না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

পূজামণ্ডপে উচ্চ স্বরে ডিজে বাজানোর বিষয়ে নিষেধ করা হয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা বলেন, এর পরিবর্তে ধর্মীয় গান বাজানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মন্দির ও মণ্ডপে নিজস্ব উদ্যোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখার নির্দেশনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও প্রবেশপথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখার কথাও বলা হয়েছে।

দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে গুজব না ছড়িয়ে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে হবে। ইভ টিজিং, ছিনতাই বা অন্য কোনো অপরাধে কাউকে জড়িত পাওয়া গেলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×