ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ স্থাপনা ধ্বংসে নির্দেশ কেন নয়

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ স্থাপনা ধ্বংসে নির্দেশ কেন নয়
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৮:৩৩

পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস ও অপসারণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না- জানতে চেয়ে সংশ্নিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ রুল জারি করেন।

একই সঙ্গে কক্সবাজারের ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতের মধ্যে থাকা অবৈধ দখল, নির্মাণ, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দূষণ, পৌরবর্জ্য ও ওয়ান টাইম ইউজ প্লাস্টিক যত্রতত্র ফেলা বন্ধ করতে বিবাদীদের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়।

এ ছাড়া ২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির টাস্কফোর্সের সভায় কক্সবাজারের সংরক্ষিত এলাকায় ১০ তলা সার্কিট হাউস ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত কেন স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র ও স্যুয়ারেজ প্ল্যান্ট ছাড়া কপবাজার পৌর এলাকায় হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ, মার্কেট ও বাণিজ্যিক কাঠামো নির্মাণ এবং কক্সবাজার পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, পরিবেশ সচিব, বিমান ও পর্যটন সচিবসহ সংশ্নিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে বেলার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবির। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

এর আগে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে গড়ে ওঠা নানা অবৈধ স্থাপনা নিয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে বেলা। রিটে কক্সবাজার জেলার সদর, মহেশখালী, টেকনাফ, রামু, চকরিয়া, উখিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় উন্নয়নবহির্ভূত ও সংরক্ষিত এলাকায় অবস্থিত পাহাড়, টিলা ও বনাঞ্চল দখল থেকে রক্ষায় আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

আরও পড়ুন

×