জেঁকে বসছে শীত, হিমেল বাতাস
শীত বাড়ছে, রাজধানীতে তাই শীতবস্ত্র কেনার চাহিদাও বেড়েছে। ছবি-ফোকাস বাংলা
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ১১:০৮ | আপডেট: ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ১১:৩১
পৌষের প্রথম সপ্তাহেই জেঁকে বসেছে হাড় কাঁপানো শীত। বিশেষ করে দেশের সর্বউত্তরের জেলাগুলোতে তীব্র শীত নেমে এসেছে।
পঞ্চগড়ে পাঁচ দিন ধরে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। কুয়াশা কম থাকায় সকালে ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও উত্তরের হিমেল বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে এ জনপদের মানুষ। যেখানে তাপমাত্রার হিসাবে শৈত্যপ্রবাহ নেই, সেখানেও শীতের প্রকোপ বেশ।
কুয়াশার কারণে মহাসড়কে যানবাহনগুলো চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। শীতের প্রকোপে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছেন সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে।
রোববার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সারাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১১ ডিসেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত টানা ৯ দিন তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হলেও পাঁচ দিন ধরে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, সোমবার থেকে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বেশিরভাগ জেলা, সিলেটের মৌলভীবাজার, খুলনা বিভাগের যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। রাজধানীসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে আপাতত শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা না থাকলেও আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, জানুয়ারির শুরুতে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, আজ-কালের মধ্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। তবে ওই দুই বিভাগের বাইরে অন্য কোনোটিতে এখনই শৈত্যপ্রবাহ নামার আশঙ্কা নেই।
- বিষয় :
- শৈত্যপ্রবাহ
- শীতজনিত রোগ
- আবহাওয়া অধিদপ্তর
