ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

নির্মাণ শুরুর আগেই বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ব্যয় বাড়ল ৩০০০ কোটি টাকা

নির্মাণ শুরুর আগেই বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ব্যয় বাড়ল ৩০০০ কোটি টাকা
×

বর্তমান বঙ্গবন্ধু সেতুর রেলপথে ওজন সীমাবদ্ধতার কারণে ভারী পণ্যবাহী ট্রেন চলতে পারে না- ফাইল ছবি

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২০ | ০৮:৫৭ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২০ | ০৯:০৩

বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে যমুনা নদীর ওপর রেল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন এ সেতুর কাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এদিকে, বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ ব্যয় আরও বেড়ে গেছে। আগে এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। এখন ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ আগের চেয়ে তিন হাজার কোটি টাকা বেশি খরচ হবে।

ব্যয় বাড়ার কারণ জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, কাজের পরিমাণ বেড়েছে। তবে কী ধরনের কাজ বেড়েছে সেটা তিনি বলেননি। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি একনেকে আলোচনা হওয়া ভালো।

বৃহস্পতিবার ক্রয় কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দর প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। এটিসহ মোট ৯ প্রকল্পের দরপ্রস্তাবে অনুমোদন দেয় ক্রয় কমিটি।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ডুয়েল গেজ রেললাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পুরো টাকা দেবে জাপান সরকার। তবে খরচ বেড়ে যাওয়ায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে।

জানা গেছে, জাপানি কোম্পানি সিনাগাওয়া ইন্টারসিটি এ সেতু নির্মাণ করবে। শিডিউল অনুযায়ী ২০২৩ সালের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। রেল মন্ত্রণালয় আলোচ্য প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

২০১৬ সালে একনেকে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ' শীর্ষক প্রকল্পটি পাস হয়। কিন্তু এরপর বিভিন্ন জটিলতায় এ প্রকল্পের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। মূলত পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে রেলপথে পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে সহজে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনেও সেতুটি কাজে লাগবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান বঙ্গবন্ধু সেতুর রেলপথে ওজন সীমাবদ্ধতার কারণে ভারী পণ্যবাহী ট্রেন চলতে পারে না। এ সেতুতে ট্রেনও পূর্ণ গতিতে চলতে পারে না। পৃথক রেলসেতু হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি আরও ত্বরাণ্বিত হবে বলে আশা করছে সরকার।

আরও পড়ুন

×