ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের ঘটনায় ভাতিজাকে শাসন, চাচাকে কুপিয়ে জখম

ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের ঘটনায় ভাতিজাকে শাসন, চাচাকে কুপিয়ে জখম
×

প্রতীকী ছবি

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬ | ০২:০১

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় স্কুলছাত্রীদের পথরোধ করে উত্ত্যক্তের ঘটনায় ভাতিজাকে শাসন করায় চাচাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নদমূলা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাবির হোসেন নামে এক বখাটেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আহত ব্যক্তির নাম দেলোয়ার হোসেন তালুকদার। তাঁকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সাবির উপজেলার নদমূলা গ্রামের মো. শাহজাহান তালুকদারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে,  মঙ্গলবার সকালে নদমূলা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করছিল সাবির হোসেন। খবর পেয়ে তার চাচা দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে শাসন করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাবির তার চাচার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। দেলোয়ারের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং সাবিরকে আটকে রাখেন। পরে এলাকাবাসী জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরে কল দিলে পুলিশ সাবিরকে (২৪) আটক করে।

ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক কামাল হোসেন জানান, দেলোয়ার হোসেনের শ্বাসনালীর পাশে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে। অল্পের জন্য তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন। বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবির হোসেন এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাঁর বিরুদ্ধে ভাণ্ডারিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগে সে ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল। জামিনে মুক্তি পেয়ে সে আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। তার অপকর্মে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান মো. জগলুল হাসান জানান, এ ঘটনায় ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। একমাত্র আসামি সাবির হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

×