ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ক্যাম্পাস সংবাদ

ক্যাম্পাস সংবাদ
×

ক্যাম্পাস ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬ | ১৬:০৩ | আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ | ১৬:২৯


জাপানের টোব মাকি স্কলারশিপ 

 

উচ্চশিক্ষার জন্য যারা জাপানকে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন, তাদের জন্য চমৎকার একটি সুযোগ নিয়ে এসেছে ‘টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬’। এই বৃত্তির আওতায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
আবেদনের শেষ সময়: ৮ মে ২০২৬
আবেদনের যোগ্যতা
স্কলারশিপ চলাকালীন জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অবশ্যই ভর্তি থাকতে হবে।
স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে হবে।
স্নাতক পর্যায়ের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম তৃতীয় বর্ষ বা তদূর্ধ্ব শ্রেণিতে অধ্যয়নরত হতে হবে।
আর্থিক সুবিধা ও উপবৃত্তি
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাসিক ভিত্তিতে নিচের হারে বৃত্তি প্রদান করা হবে:
স্নাতকোত্তর পর্যায়: মাসিক ৭০,০০০ ইয়েন (বার্ষিক ৮,৪০,০০০ ইয়েন)।
স্নাতক পর্যায়: মাসিক ৬০,০০০ ইয়েন (বার্ষিক ৭,২০,০০০ ইয়েন)।
যদি কোনো শিক্ষার্থী অন্য কোনো উৎস থেকে বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি বৃত্তি পান, তবে টোব মাকি স্কলারশিপের অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে জ্যাসো (JASSO) বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এই নিয়মের আওতাভুক্ত নয়।
স্কলারশিপের মেয়াদ
সাধারণত দুই বছর পর্যন্ত এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।
পিএইচডি পর্যায়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এটি সর্বোচ্চ চার বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আবেদনের জন্য নিচের নথিপত্র প্রস্তুত রাখুন:
অনলাইন আবেদনপত্র।
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের স্ক্যান কপি।

আবাসিক সনদ।
জিপিএ সনদ (যদি ট্রান্সক্রিপ্টে উল্লেখ না থাকে)।
ভর্তি সনদ (২০২৬ সালের ১ এপ্রিলের পর প্রাপ্ত হতে হবে)।
ব্যক্তিগত বিবৃতি 
চিকিৎসাসনদ।
হালনাগাদ জীবনবৃত্তান্ত 
আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিস্তারিত তথ্য নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে জানতে হবে।

 

 

 

 

 

অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ নিয়ে এগিয়ে উইটন 

দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার নতুন ধারা সূচনা করেছে উইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও গাইডেন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের পাঠ্যক্রমে যুক্ত করেছে অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ (মানসাঙ্ক), যা শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ।
নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু গণিত শেখে না; বরং দ্রুত চিন্তা, বিশ্লেষণ এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করে।
বর্তমান বিশ্বে গণিতকে কেবল একটি বিষয় হিসেবে নয়; বরং চিন্তাশক্তি ও যুক্তিবোধ গড়ে তোলার মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। এই লক্ষ্যেই স্কুল দুটি তাদের শিক্ষা কাঠামোতে বাস্তবভিত্তিক শেখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা, স্মৃতিশক্তি ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
বাংলাদেশে সাধারণত অ্যাবাকাস বা মেন্টাল ম্যাথ শেখার জন্য আলাদা কোচিংয়ের প্রয়োজন হয়। তবে এই দুই প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। 
কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ক্যাম্পিং, পাবলিক স্পিকিং, লিডারশিপ ট্রেনিংসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বাড়ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে পারে। 
প্রতিষ্ঠান দুটির অধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জামান বলেন, ‘গণিত মানে শুধু সূত্র মুখস্থ করা নয়, এটি চিন্তার একটি প্রক্রিয়া। আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।’

 

আরও পড়ুন

×