ঢাকা শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কঠোর নিরাপত্তা, আটক ৪ 

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কঠোর নিরাপত্তা, আটক ৪ 
×

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ব্যারিকেড

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬ | ১৪:০২ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৬ | ১৪:১০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার দুপুর পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে। 

টাঙ্গাইল থেকে আসা যুবলীগ কর্মী অর্ণব দাস (৩৮) শ্রদ্ধা জানাতে এসে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আসা যুবলীগ কর্মী নিপু মিয়া (৩০) আটক হন। এছাড়া আরও দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পরিচয় জানা যায়নি। চারজনকেই ধানমন্ডি থানায় পাঠানো হয়। 

এদিকে মব সৃষ্টি করতে এসে ‌‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া কয়েকজন যুবক সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের মুখে পালিয়ে যায়।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বর থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা বঙ্গবন্ধু ভবনে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সেদিন বিকেল ৪টা থেকে ভবনটির ভেতর থাকা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রায় সব স্মৃতিচিহ্ন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সেখানে থাকা মুক্তিযুদ্ধের দুর্লভ স্মৃতিচিহ্নসহ বই ও কাগজপত্র এবং মূল্যবান সামগ্রী পোড়ানো হয় অথবা লুটপাট করা হয়। পাশাপাশি ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টে’র কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত আরও তিনটি বহুতল ভবনে ভাঙচুর করা হয়। ওই দিন বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে ধানমন্ডি লেকসংলগ্ন খোলা চত্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি এবং বই ও স্মারক বিক্রির স্টলসহ অন্যান্য স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু ভবন-সংলগ্ন ব্যক্তি মালিকানাধীন সান্তুর রেস্টুরেন্টেও ভাঙচুরের পর আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ভবনের সামনে পার্ক করা বেশ কয়েকটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরদিন ৬ আগস্ট সকালে আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ও আশপাশের ভবনসহ সান্তুর রেস্টুরেন্ট থেকে কমপক্ষে চারটি দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেন। 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে বঙ্গবন্ধু ভবনে আরেক দফা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালানো হয়। সেই সময় এক্সক্যাভেটর (খননযন্ত্র), ক্রেন ও বুলডোজার এনে বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সামনে-পেছনের তিনটি ভবনের অবশিষ্ট অংশ, সামনের উঁচু দেয়াল ও লোহার গেটগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরের তিন-চার দিন সেখানে হাতুড়ি, শাবল দিয়ে ভাঙাভাঙি ও লুটপাট চলে। 


 

আরও পড়ুন

×