ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

স্যার ফজলে হাসান আবেদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হতে হবে: ডা. জাফরুল্লাহ

স্যার ফজলে হাসান আবেদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হতে হবে: ডা. জাফরুল্লাহ
×

ডা. জাফরুল্লাহ- ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২০ | ১২:৫২

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান কারাগার থেকে স্বাধীন দেশে জীবিত ফেরত আসার পেছনে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ও ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ বড় ভূমিকা পালন করেছেন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আবেদ ভাইকে মনে রাখতে এবং তার আদর্শ ও কর্মে অনুপ্রাণিত হতে হবে।

রোববার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালের ধানমন্ডি শাখার মিলনায়তনে স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে স্যার ফজলে হাসান আবেদ চাকরি ছেড়ে দিয়ে যুক্তরাজ্যে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন। তিনি আবু সাঈদ চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের দুঃখ ও আশা-আকাঙ্ক্ষার কাহিনি সারাবিশ্বের সামনে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আবেদ ভাই বিলেত থেকে লেখাপড়া শেষ করে পাকিস্তানের খুব বড় একটা কোম্পানিতে অত্যন্ত উচ্চ পদে চাকরি নেন। সেখানে তার গাড়ি-বাড়ি, টাকা-পয়সার অভাব ছিল না। অত্যন্ত আরাম-আয়েশের জীবনযাপন ছিল তার। কিন্তু ১৯৭০ সালে প্রলয়ঙ্করী ঝড়ে লাখ লাখ মানুষ মারা গেলে তিনি সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে ছুটে যান। তিনি বাংলাদেশের দরিদ্রতা দেখে চমকে ওঠেন। এই ঘটনা তার জীবনে একটা পরিবর্তন এনে দেয়। তিনি ভাবতে থাকেন, এত টাকা-পয়সা দিয়ে কী হবে, দেশ যদি ভালো না থাকে।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পরে আবেদ ভাই ভাবলেন দেশটাকে গড়তে হবে। তখন এ দেশে অনেক অভাব-অনটন ছিল। তখন তিনি ব্র্যাক গঠন করেন। তিনি বুঝেছিলেন, আমাদের প্রাণ হলো গ্রাম। তাই তাদের জন্য তিনি কাজ করেছেন এবং তাদের লেখাপড়া করানোর দিকে তিনি বেশি নজর দিয়েছেন। তখন আমাদের দেশে মাত্র কয়েক শতাংশ লোক নাম লিখতে পারতেন।

অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য দেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। সভা পরিচালনা করেন গণস্বাস্থ্য ডায়ালাইসিস সেন্টারের সমন্বয়কারী ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার। এতে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুসহ গণস্বাস্থ্যের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আরও পড়ুন

×