ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আবাসন পরিদপ্তরে দুর্নীতির বরপুত্র তিনি

আবাসন পরিদপ্তরে দুর্নীতির বরপুত্র তিনি
×

নূর উদ্দিন আহমেদ

দেলওয়ার হোসেন

প্রকাশ: ২৪ নভেম্বর ২০১৯ | ১৪:০৮ | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০১৯ | ১৫:৫৪

সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন ব্যবস্থার একমাত্র প্রতিষ্ঠান 'আবাসন পরিদপ্তর' জর্জরিত ঘুষ-দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মে। সরকারি বাসা বরাদ্দের কোনো নিয়মনীতিই মানছে না প্রতিষ্ঠানটি। বাসা বরাদ্দ পেতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গুনতে হচ্ছে ঘুষের টাকা। এভাবে অবৈধভাবে বাসা বরাদ্দ পেয়েছেন কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। সম্প্রতি নবনির্মিত বাসা বরাদ্দের শুরুতেই শুরু হয়েছে অনলাইন জালিয়াতি। এসব ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়মের বরপুত্র হিসেবে পরিচিত পরিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নূর উদ্দিন আহমেদ।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর যৌথ নির্দেশে নূর উদ্দিন আহমেদের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি আদেশ অমান্য করে তিনি ৩২ বছরের চাকরি জীবনে একই কর্মস্থলে বহাল আছেন। তার নেতৃত্বে পরিদপ্তরের বরাদ্দ শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় একই শাখায় থেকে বাসা বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন। আর এতে সায় রয়েছে আবাসন পরিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শহিদুল ইসলাম ভূঞার।

রাজধানী ঢাকায় আবাসন পরিদপ্তর মাত্র ৯.৭৮ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তাকে আবাসন সুবিধা দিতে সক্ষম। তাই আবাসনের জন্য তাদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা বিদ্যমান। বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী, আবাসন বরাদ্দ কমিটির বাসাভিত্তিক পৃথক পৃথক বরাদ্দের অপেক্ষমাণ তালিকা প্রণয়নের কথা। কিন্তু এ বিধিমালার কোনো কার্যকারিতা নেই। আবাসন পরিদপ্তর পরিচালকের একক সিদ্ধান্তে বাসা বরাদ্দ দেওয়াই অলিখিত আইনে পরিণত হয়েছে। আবাসন পরিদপ্তরে বিভিন্ন সময় নতুন পরিচালক এলেও তারা এ চক্রের বাইরে গিয়ে এ সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ডি-১ শ্রেণির বাসা উপসচিব পদমর্যাদার (গ্রেড-৭) কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত হলেও ঘুষের বিনিময়ে বরাদ্দ পেয়েছেন ১৬ গ্রেডের কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কর্মচারীরা। আবাসন  পরিদপ্তরে বর্তমান পরিচালক শেখ আতাহার হোসেন যোগ দিয়েছেন গত ১৮ মার্চ। ওই দিনই সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মুক্তা আক্তারকে তালতলার ৪০/জি উপসচিব পদমর্যাদার (ডি-১ শ্রেণি) বাসাটি বরাদ্দ দেওয়া হয়। একইভাবে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক আবুল কাশেমকে রাজধানীর আগারগাঁও-তালতলার ৩৫/বি (ডি-১ শ্রেণি) বাসাটি এবং এলজিইডির অফিস সহকারী-কাম মুদ্রাক্ষরিক শাহিদা খাতুনকে আগারগাঁও-তালতলার বি-৩১/আই (ডি-১ শ্রেণি) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এভাবে আরও অনেক বাসা অবৈধভাবে বরাদ্দ দিয়েছেন 'ডি' শ্রেণির বরাদ্দ শাখার সহকারী পরিচালক নূর উদ্দিন। অথচ উপসচিব পদমর্যাদার শত শত কর্মকর্তা আবাসন পরিদপ্তর ঘুরে ঘুরেও বাসা বরাদ্দ পাচ্ছেন না। এর ফলে রাষ্ট্রপতির আদেশও লঙ্ঘন হয়েছে।

অবৈধভাবে বাসা বরাদ্দ :  ই থেকে তদূর্ধ্ব শ্রেণির সরকারি বাসা বরাদ্দের জন্য সরকারের দুটি কমিটি রয়েছে। কিন্তু এর কোনো কার্যকারিতা নেই। বরাদ্দ বিধিমালা ১৯৮২ অনুযায়ী আবাসনের শ্রেণি অনুসারে পৃথক পৃথক অপেক্ষা তালিকাও তৈরি করা হয়নি। বাসা বরাদ্দের কোনো অপেক্ষমাণ তালিকা না থাকায় একাধিকবার অডিট আপত্তি দিয়েছে পূর্ত অডিট অধিদপ্তর। বাসাবাড়ির তথ্য সম্পর্কে পরিদপ্তরে নেই কোনো ডাটাবেজ। এ সুযোগে অনেক কর্মকর্তা পাঁচ বছর আগে অবসরে গেলেও বাসা ছাড়েননি। মারা গেলেও বাসা ব্যবহার করছেন তাদের আত্মীয়স্বজন বা ছেলেমেয়েরা। যাদের মাঠ প্রশাসনে পদায়ন হচ্ছে, ঢাকায় সরকারি বাসা থাকলে তাদের বেশিরভাগই কর্মস্থলে যাওয়ার আগে বাসা ছাড়ছেন না। অথচ নতুন কর্মস্থলেও নতুন বাসা নিচ্ছেন তারা। এ ছাড়া হাইকোর্টে রিট আবেদন ও দেওয়ানি মামলা করে ৫১৬-৫১৭, ৭০৯-৭১০ ইলিশিয়াম রেস্ট হাউস, ৯/২৩, ১৫/১৬ ও ১৫/৬ বেইলি স্কয়ার, কক্ষ নং-৮, ৯, ১০ ও ১১ সেন্ট্রাল সার্কিট হাউস, ৩৫-৩৬, ২৬-২৭ জি ও এইচ ইস্কাটন, ৪৩ নিউ সার্কিট হাউস, বি-৫/ই-৫, বি-৮/ই-২, বি-৩/ই-৬, বি-১২/ই-২ মতিঝিল, ৬১/এফ, ৫১/ই, ৫৩/এ আজিমপুর, বি-৫/ই-২, বি-১/ই-২ শাহজাহানপুর ও ঊষা-৫ গ্রিন রোডসহ শতাধিক বাসা কর্মকর্তারা অনেক বছর ধরে অবৈধ দখলে রেখেছেন। পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানার পরও এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ভাড়া হিসেবে প্রতি মাসে ঘুষ নিচ্ছেন।

অনলাইনেও অনিয়ম:  অনিয়ম বন্ধে প্রায় তিন বছর আগে সরকারি বাসা অনলাইনে বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু এখনও তা কার্যকর হয়নি। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে কোনো কর্মকর্তাও নেই। সরকারের শীর্ষ মহলের চাপে গত মাসে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু নবনির্মিত বাসা স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) পদ্ধতিতে বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব বাসা অনলাইনে বরাদ্দ দেওয়া হবে, গণপূর্তমন্ত্রীর কাছে সেগুলোর হার্ডকপিও উপস্থাপন করা হবে। অর্থাৎ নতুন বাসাগুলো অনলাইনে বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ম্যানুয়ালি। কতভাগ বাসা অনলাইনে বরাদ্দ দেওয়া হবে, তাও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি। বরাদ্দ বিধিমালা সংশোধন এবং প্রজ্ঞাপনও জারি হয়নি। সরকারের বিভিন্ন নিয়োগ, টেন্ডার, ক্রয়-বিক্রয় ও নিলামের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন বা প্রচারের নিয়ম থাকলেও এক্ষেত্রে সেটিও হয়নি। অথচ আবাসন পরিদপ্তর প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে হওয়ায় সেবাকাঙ্ক্ষী কর্মকর্তারা সেখানে অবাধে যেতে পারেন না। আবাসন অনলাইন ডটকম নামে যে ওয়েব অ্যাড্রেসে আবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে, সেটিও বরাদ্দপ্রত্যাশী কর্মকর্তাদের কাছে পরিচিত নয়।

পরিদপ্তরে বাসা বরাদ্দের তদবির করতে এসে একাধিক কর্মকর্তা বলেন, আজিমপুর ও মতিঝিলে নবনির্মিত বাসা বরাদ্দে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যারা ঘুষ দেয়নি তারা কেউ বাসা বরাদ্দ পায়নি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে গেলে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদক ও পূর্ত মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এরপরও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি হয়নি। এখন রাজধানীর পাইকপাড়া ও মোহাম্মদপুরে নবনির্মিত বাসা বরাদ্দেও ঘুষ লেনদেন চলছে। তবে কর্মকর্তারা ঘুষ দিয়ে বাসা বরাদ্দ পেলেও চাকরি চলে যাওয়া কিংবা বিভাগীয় মামলা হওয়ার ভয়ে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সমকালকে বলেন, বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি বাসা বরাদ্দ দেওয়া না হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।

নূর উদ্দিনের যত অনিয়ম:  নূর উদ্দিন সহকারী পরিচালক হওয়ার পর ১১ বছর ধরে 'ডি'-শ্রেণির বরাদ্দ শাখায় কর্মরত আছেন। এর মধ্যে তাকে তিনবার চট্টগ্রামে বদলি করা হলেও তদবির করে তিনি বদলির আদেশ বাতিল করিয়েছেন। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তাকে 'ডি' শ্রেণির বরাদ্দ শাখায় পদায়ন না করার জন্য ২০১৪ সালের ১২ জুন এক আদেশ জারি করে। এরপরও মন্ত্রণালয়ের সেই আদেশকে উপেক্ষা করে তিনি এখনও 'ডি' শ্রেণির বরাদ্দ শাখাতেই কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধে দুদক থেকেও অবৈধ সম্পদ অর্জন, ঘুষ নিয়ে বাসা বরাদ্দ দেওয়া, কোটা জালিয়াতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এমন বহু অভিযোগ থাকার পরও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সম্প্রতি সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও পূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের যৌথ নির্দেশে তার ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অভিযোগ পৌঁছানোর আগেই গায়েব:  জনপ্রশাসন এবং পূর্তমন্ত্রীর নির্দেশনার সঙ্গে ৩৭ পাতার অভিযোগের সংযুক্তি পাঠানো হয়েছিল তদন্ত কর্মকর্তার কাছে। কিন্তু তা পৌঁছানোর আগেই গায়েব হয়ে গেছে। আর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে উপসচিব সাজ্জাদুল হাসানের পাঠানো একই অভিযোগ পূর্ত মন্ত্রণালয়েই পৌঁছেনি। অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক পদে ৮০০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করা নূর উদ্দিন ঢাকার পশ্চিম কাফরুল-তালতলা-আগারগাঁওয়ে একটি ফ্ল্যাট, কল্যাণপুরে আট কাঠা জমির ওপর নয় তলা ভবন, দুটি গাড়ি, লক্ষ্মীপুর জেলার নিজ গ্রামে দোতলা বাংলোবাড়ি ও ১৮ বিঘা জমি, সাভারে আড়াই কাঠা জমির দুটি প্লট, নারায়ণগঞ্জ রোডের পাশে পাঁচ কাঠার একটি প্লটসহ আরও অনেক সম্পদের মালিক। তবে নূর উদ্দিন আহমেদ এ প্রসঙ্গে সমকালকে বলেন, সরকারি বাসা বরাদ্দে সবাইকে খুশি করা যায় না। যারা বাসা বরাদ্দ পাননি, তারাই এসব অভিযোগ করেছেন।

অতিরিক্ত পরিচালকের ক্ষমতার অপব্যবহার:  আবাসন পরিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক পদে ২৭ মে ২০১৫ সালে যোগ দেওয়ার পর শহিদুল ইসলাম ভূঞা নিজেও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তিনি আঞ্চলিকতার টানে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন অবৈধ কাজে সায় দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ও উপপরিচালক (প্রশাসন) পদে থাকলেও যোগ দেওয়ার পর পরই তিনি ডিডিও (আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তা)-এর ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। সরকারি গাড়িরও অপব্যবহার করেন। প্রাধিকারের বাইরে তিনি ব্যবহার করছেন পরিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়ি এবং পরিচালকের জন্য (ইয়ারমার্ককরা) কেনা প্রাইভেট কার। সরকারের ঋণ সুবিধায় ৩০ লাখ টাকা নিয়ে প্রাইভেট কার কিনলেও তিনি জনপ্রশাসনের প্রজ্ঞাপন লঙ্ঘন করে পরিদপ্তরের গাড়ি ব্যবহার করছেন।

সবশেষে নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে পর্যটন করপোরেশনে বদলি করা হয় এবং পরিদপ্তরের ওই পদে নতুন একজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু বদলি পদে যোগ না দিয়ে তিনি এখনও একই পদে রয়ে গেছেন। অথচ বাংলাদেশ সার্ভিস রুলের ৮১ ধারায় বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয় বা বিভাগের বদলি আদেশের পর নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতির জন্য একজন কর্মকর্তা সর্বোচ্চ ছয় দিন সময় পাবেন। তবে একই শহরে বদলির আদেশ হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি পদে যোগ দিতে হবে।

অতিরিক্ত পরিচালক শহিদুল ইসলাম ভূঞা জানান, ডিডিও-র কাজ সহকারী পরিচালকের (প্রশাসন) করার কথা। কিন্তু সহকারী পরিচালক বয়সে নবীন হওয়ায় এখন এই দায়িত্ব তিনিই পালন করছেন। তিনি জানান, পরিদপ্তরের কর্মকর্তার তুলনায় গাড়ি অনেক কম। তাই অনেক সময় পরিচালকের গাড়িও ব্যবহার করতে হয়। মন্ত্রী ও সচিব রিলিজ দিলেই তিনি বদলি পদে যোগ দেবেন।

এ প্রসঙ্গে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক শেখ আতাহার হোসেন বলেন, সরকারি বাসা বরাদ্দের কোনো কমিটি আছে বলে তার জানা নেই। তাই পরিচালকের অনুমোদনক্রমেই বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অনলাইনে বাসা বরাদ্দ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই দেওয়া হচ্ছে। পরিদপ্তরের অনিয়মের বিষয়ে তিনি জানান, তিনি মাত্র সাত মাস আগে যোগ দিয়েছেন। তাই অনেক বিষয় তার জানা নেই।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, সরকারি বাসা বরাদ্দে প্রচুর অনিয়ম হচ্ছে এ কথা সত্য। চাকরির মেয়াদ শেষ ও কর্মস্থল পরিবর্তন হওয়ার পরও অনেক কর্মকর্তা বাসা দখলে রাখছেন। রাজধানীতে অনেক বাসা রয়েছে, যেগুলো কর্মকর্তাদের বসবাসের যোগ্য নয়। সবকিছু নিয়মের মধ্যে আনা হবে। বাসা বরাদ্দের আইনকেও যুগোপযোগী করা হবে।

আরও পড়ুন

×