যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হচ্ছে আরও ২ লাখ ২০ হাজার টন গম
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৫ | ১৭:৩৭ | আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৫ | ১৭:৪০
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২ লাখ ২০ হাজার টন গম জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতিতে আমদানি করা হচ্ছে। প্রতি টনের দাম পড়ছে ৩০৮ ডলার।
আজ মঙ্গলবার অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৈঠকে অনুষ্ঠিত প্রস্তাবগুলো নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতিতে ইউএস হুইট সমিতির অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান এগ্রোক্রপ ইন্টারন্যাশনাল থেকে এ গম কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর। এক্ষেত্রে প্রতি টন গমের দাম ধরা হয়েছে ৩০৮ মার্কিন ডলার। ২০ লাখ ২০ টন গম কিনতে ব্যয় হবে স্থানীয় মুদ্রায় ৮২৫ কোটি ৩১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।
এর আগে গত ২৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করে ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি। তখন প্রতি টন গমের দাম ধরা হয়েছিল ৩০২ দশমিক ৭৫ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম কিনতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮১৭ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।
বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা পাল্টা শুল্ক কমানোর দর কষাকষিতে সুবিধা পেতে গত জুলাইতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরকারিভাবে গম আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশটির গম রপ্তানিকারক সমিতি বা ইউএস হুইট সমিতির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে সরকার। এ স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঁচ বছর মেয়াদে প্রতিবছর ৭ লাখ টন করে গম আমদানি করবে। সরকার অন্যান্য দেশ থেকে যে দামে গম আমদানি করে আমেরিকা থেকে আনতে প্রতি টনে ২৫ থেকে ৩০ মার্কিন ডলার বাড়তি খরচ করতে হয়।
বেশি দামের বিষয়টি স্বীকার করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। গত ২৩ জুলাই গম আমদানির প্রস্তাব অনুমোদনের পর তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, অবশ্যই দাম বেশি। তবে দাম একটু বেশি হলেও অন্যদিকে দিয়ে সুবিধা পাওয়া যাবে। এই গমের প্রোটিনও কিছুটা বেশি। তবে খুব বেশি তা নয়। ইনপিওরিটি অনেক কম। সার্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের গমের মান ভালো।
