ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের 

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করার আহ্বান ঢাকা চেম্বারের 
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:০৪

দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

ঢাকা চেম্বারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের লাইফলাইন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি ও রপ্তানির পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়। আমদানি ও রপ্তানির জন্য এই বন্দর থেকে গড়ে প্রতিমাসে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টিইইউ এবং প্রতিদিন গড়ে ৯০০০ টিইইউ খালাস হয়, যা গত বুধবার থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এখন পর্যন্ত ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছে উল্লেখ করে সংগঠনটি বলছে, এই পণ্য খালাস করতে দেরি হওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। এই সৃষ্ট অচলাবস্থায় বিশেষ করে দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও মনে করে ডিসিসিআই। সংগঠনটির মতে, কিছু ক্রেতা সাময়িকভাবে ডেডলাইন বাড়াতে রাজি হলেও, দীর্ঘস্থায়ী সংকটে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে পারে।

ডিসিসিআই বলছে, আসন্ন রমজান উপলক্ষে আমদানি করা পণ্য খালাসের দীর্ঘসূত্রতার কারণে স্থানীয় বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে, যা সব শ্রেণির ভোক্তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়া বন্দরের কার্যক্রমের অনাকাঙ্খিত এ অচলাবস্থা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সব ক্ষেত্রে পরিচালন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে ঢাকা চেম্বার। 
 

আরও পড়ুন

×