গেল বছর মূল্যস্ফীতি বেড়েছে
প্রতীকী ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২০ | ০৯:০৪
২০১৯ সালে মূল্যস্ফীতি বা জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির হার আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে। গেল বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। তবে গেল ডিসেম্বরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার আগের মাসের চেয়ে কমেছে।
ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল গত বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনে একনেক বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতির সর্বশেষ এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২০০৫-০৬ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর (১০০ পয়েন্ট) ধরে বিবিএস মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান তৈরি করে। সংস্থাটির তথ্য মতে, ডিসেম্বর শেষে ভোক্তা মূল্য সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭২ তশমিক ৯৭ পয়েন্ট। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে যা ছিল ২৫৮ দশমিক ১৩ পয়েন্ট।
ডিসেম্বরে খাদ্য সূচকে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। নভেম্বরে এ সূচকে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। তবে খাদ্যপণ্যে কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। খাদ্যবহির্ভূত সূচকে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি হচ্ছে আগের বছরের নির্দিষ্ট কোনো মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের তুলনায় পরের বছর একই মাসে ওই সূচক যতটুকু বাড়ে তার শতকরা হার। অন্যদিকে ১২ মাসের পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির গড় হিসাব করা হয়ে থাকে। সরকার তার বাজেটে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার মুদ্রানীতিতে গড় মূল্যস্ফীতি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য নিয়ে বিবিএস মূল্যস্ফীতির হিসাব করে থাকে। গড় মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় অর্থবছরের ভিত্তিতে। চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৫ শতাংশে সীমিত রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বিষয় :
- মূল্যস্ফীতি
- দাম বৃদ্ধি
