চিঠিপত্র
নিহত আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মান্নান-ফাইল ছবি
--
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৪:১৫
সড়কে শৃঙ্খলা আসুক
সড়কে শৃঙ্খলার অভাবে দুর্ঘটনা নিয়তির লিখন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদায়ী বছরে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে আগের বছরের চেয়ে কয়েক গুণ। বেড়েছে হতাহতের সংখ্যাও। রাজধানীসহ সব মহানগর কিংবা মহাসড়কে যানবাহন চালকরা সুযোগ পেলেই একজন আরেকজনকে অতিক্রম করার রেসে মেতে ওঠেন। যে কারণে ঘটে অধিকাংশ দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য পথচারীদের দায় কোনো অংশে কম নয়। উল্টো পথে যানবাহন চালানো অনেকের মজ্জাগত অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনও দুর্ঘটনা ডেকে আনছে। দুর্ঘটনা মোকাবিলায় সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সবচেয়ে জরুরি।
শুভ্র ঘোষ
কলকলিয়াপাড়া, মাগুরা
ভোক্তাস্বার্থ সুরক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয় চাই
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল মন্ত্র হলো, সবার আগে নাগরিক ও জনস্বার্থের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা। এ কারণেই জনস্বার্থে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়েছে। দেশের সব মানুষ ভোক্তা হলেও তাদের স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষায় পৃথক কোনো মন্ত্রণালয় নেই। ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি ক্ষুদ্র অধিদপ্তরের মাধ্যমে ভোক্তাদের স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তার যথাযথ সুফল ভোক্তারা পাচ্ছেন না। তাই প্রায়ই নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে সাধারণ জনগণের পকেট ফাঁকা করা হয়। পৃথক মন্ত্রণালয় থাকলে তাতে একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী ও সচিবসহ বিভিন্ন পদে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই বিষয়েই দায়িত্ব পালন করতেন। দায়িত্বপ্রাপ্তরা অন্তত একক বা যৌথভাবে ভোক্তাদের কাছে জবাবদিহির আওতায় থাকতেন বা জবাবদিহি করতেন। তাতে ভোক্তাস্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষা পেত। সঙ্গত কারণেই ভোক্তাদের স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে সরকারপ্রধানের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মো. মোশারফ হোসাইন
নকলা, শেরপুর
রেললাইনের ধারে গাছ লাগান
বাংলাদেশের রেললাইনের দৈর্ঘ্য ২৯৫৬ কিলোমিটার। এর খুব অল্প অংশেই গাছ রয়েছে। সারাদেশে রেললাইনের দুই ধারে কোটি কোটি গাছ লাগানো যাবে। এক কিলোমিটারে যদি দুই ধারে ৮০০ গাছ লাগানো যায়, তাহলে ২৩ লাখ গাছ লাগানো সম্ভব। সেই গাছ যদি হয় তাল, সুপারি ও নারিকেল, তাহলে শুধু বজ্রনিরোধকই হবে তা নয়, দেশের অর্থনীতিতে রাখবে বিরাট অবদান। বন মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে মোট ভূমির ২০ শতাংশ বনভূমি স্থাপন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রেললাইনের দুই ধারে গাছ লাগানো হলে সেই লক্ষ্য অনেকটাই পূরণ হবে বলে আশা করি।
মো. হাবিবুর রহমান
সদর, নরসিংদী
গাইবান্ধায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চাই
বাংলাদেশের একটি অবহেলিত জেলা গাইবান্ধা। এই জেলার বেশিরভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল হলেও এখানে কৃষিবিষয়ক কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার কথা বলেছে সরকার। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, রংপুর বিভাগের আটটি জেলার মধ্যে মাত্র দুটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। গাইবান্ধা জেলার শত শত শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়। এখানকার বেশিরভাগ লোকই দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে। তাই এসব শিক্ষার্থীকে বাইরের জেলায় গিয়ে লেখাপড়া করা অনেক কষ্টসাধ্য। এখন গাইবান্ধা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সবার প্রাণের দাবি। তাই কৃষিনির্ভর এই জেলায় গাইবান্ধা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাচ্ছি।
ওবাইদুর রহমান
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা
- বিষয় :
- চিঠিপত্র
