এ সময়ের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
×
আবু জাফর মো. সালেহ
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২০ | ১২:০০
করোনার এ সময়ে জীবন ও জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে সময় উপযোগী, সঠিক ও বাস্তবভিত্তিক কাঙ্ক্ষিত কৌশল গ্রহণ করতে পারাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। একটি উদীয়মান দেশ হিসেবে আমাদের রেমিট্যান্স, রপ্তানি, আমদানি, বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ, পর্যটন শিল্প ইত্যাদির ওপর করোনাভাইরাসের প্রভাব এখনই দৃশ্যমান। এসব মোকাবেলায় সরকার ইতোমধ্যে উলেল্গখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আরও পদক্ষেপ গ্রহণ ক্রমশই জরুরি হয়ে পড়ছে।
সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বড় বড় এবং কম প্রয়োজনীয় প্রকল্প থেকে টাকা সরিয়ে তা করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় ব্যয় করবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীসহ অন্যদের প্রণোদনায়ও ব্যয় করবে। সরকার সময় উপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বিনিয়োগ করতে হবে আগে। কৃষি তথা খাদ্য উৎপাদনে এবং মজুদে (খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য) জোর দিতে হবে। মধ্যস্বত্বভোগী বাদ দিয়ে প্রকৃত পণ্যমূল্য সরাসরি কৃষকদের দিতে হবে। এসএমই খাতে ঋণ বিতরণে ব্যাপক জোর দিতে হবে। ঋণ বিতরণ ব্যবস্থা জেলা পর্যায়ে না রেখে উপজেলা-থানা-ইউনিয়ন এমনকি গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে। এখনও আমরা কৃষিব্যবস্থা আধুনিকীকরণ করতে পারিনি। ভালো ফলন হওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় শ্রমিক না থাকায় ধান কাটা যাচ্ছিল না। উচিত ছিল কৃষি খাতকে আধুনিক যান্ত্রিকীকরণ করতে কৃষকদের হাতে বিনামূল্যে ধান কাটার মেশিন দিয়ে দেওয়া, তাহলে আমরা হয়তো কৃষি অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যেতাম। কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহে কৃষকদের প্রণোদনা সর্বাগ্রে এবং সর্বাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া উচিত।
করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রবাসী শ্রমিকরা। বছরের পর বছর ধরে তারা তাদের কষ্টার্জিত আয় রেমিট্যান্সের মাধ্যমে পাঠিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। আমাদের যেসব প্রবাসী দেশের বাইরে আছে, তাদের সঠিক কোনো ডাটা আমাদের কাছে নেই। এই করোনাকালে যারা দেশে এসেছেন, এখন আমাদের উচিত প্রথমত তাদের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করা। সরকারকে ধন্যবাদ দিই এজন্য যে, ইতোমধ্যে সরকার তাদের জন্য বিনা জামানতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যেই আমাদের শ্রমিক সংখ্যা বেশি; কিন্তু সেখানে তেলের দাম আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় (সর্বোচ্চ ছিল ১৫০ ডলার, যা এখন প্রায় ১০ ডলার) এবং মহামন্দার অভিঘাতে সেসব দেশে বেশিরভাগ শ্রমিক আর যেতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। আর তাই দক্ষ শ্রমিক তৈরি করে প্রবাসে নতুন নতুন শ্রমবাজারের সন্ধান করতে হবে। তাছাড়া দেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প গ্রহণ করে এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসব প্রবাস ফেরত শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও দেশে বিদ্যমান বেকার এবং করোনার প্রভাবে বেকারসহ সবার জন্য গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক কর্মসূচি (কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মতো) গ্রহণ করে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অত্যন্ত অল্প সুদে আরও প্রণোদনা দিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে বর্তমানে প্রায় ৭৮ লাখ মাইক্রো ও স্মল এন্টারপ্রেনার রয়েছে, যাদের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি ২৪ লাখ কর্মসংস্থান হচ্ছে। এটা আরও বাড়াতে হবে।
করোনার কারণে রপ্তানি বাজার পড়ে গেছে। এজন্য আমাদের এখন নতুন নতুন চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে হবে। যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশেই উৎপাদিত হতে পারে গুণগত বিশ্বমানের পিপিই। দেশের পিপিই চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তা রপ্তানি করার মধ্য দিয়ে অর্থনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। ফলশ্রুতিতে রপ্তানি আয়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশেও রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ও কমে যাবে। এর সঙ্গে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং সংশ্লিষ্ট মেশিনারি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ঔষধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে পারে। করোনা-পরবর্তী বিশ্বে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং রপ্তানি খাত হিসেবে ওষুধ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট মেডিকেল যন্ত্রপাতির চাহিদা বাড়বে। অতএব রপ্তানির জন্য আমরা এগুলোর দিকে এখনই নজর দেওয়া শুরু করতে পারি। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। কারণ আগামীতে বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে। আমাদের দেশ যেহেতু উন্নয়নশীল দেশ, তাই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি বেশি। অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সরকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এ প্রণোদনা প্যাকেজ আমাদের সাময়িক সমস্যা মোকাবিলা করতে পারবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে তা দিয়ে সব সমস্যার সমাধান করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও রূপরেখা প্রণয়ন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পসহ সবধরনের ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতি থেকে উত্তরণে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতি যেহেতু মূলধারায় আসতে সময় নেবে, তাই আমাদেরও সেই ভিশন নিয়ে কাজ করতে হবে।
একদিকে যেমন আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ হবে চলমান প্রকল্পগুলো শেষ করা, অন্যদিকে খাদ্য নিরাপত্তাসহ দেশের কৃষি ও শিল্প উৎপাদন অব্যাহত রেখে কর্মসংস্থান ধরে রাখা, নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা। বিকল্প আমদানি ও রপ্তানি বাজারের ব্যবস্থা করা। প্রবাসী শ্রমিকদের নতুন বাজারের সুযোগ খোঁজা অব্যাহত রেখে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দেশে তাদের স্বল্পমেয়াদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আমাদের এখন প্রকৃতি এবং মানুষবান্ধব টেকসই মানবকল্যাণমূলক স্বনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে- যার নেতৃত্ব দেবেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (আইএফআইএল)
সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বড় বড় এবং কম প্রয়োজনীয় প্রকল্প থেকে টাকা সরিয়ে তা করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় ব্যয় করবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীসহ অন্যদের প্রণোদনায়ও ব্যয় করবে। সরকার সময় উপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বিনিয়োগ করতে হবে আগে। কৃষি তথা খাদ্য উৎপাদনে এবং মজুদে (খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য) জোর দিতে হবে। মধ্যস্বত্বভোগী বাদ দিয়ে প্রকৃত পণ্যমূল্য সরাসরি কৃষকদের দিতে হবে। এসএমই খাতে ঋণ বিতরণে ব্যাপক জোর দিতে হবে। ঋণ বিতরণ ব্যবস্থা জেলা পর্যায়ে না রেখে উপজেলা-থানা-ইউনিয়ন এমনকি গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে। এখনও আমরা কৃষিব্যবস্থা আধুনিকীকরণ করতে পারিনি। ভালো ফলন হওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় শ্রমিক না থাকায় ধান কাটা যাচ্ছিল না। উচিত ছিল কৃষি খাতকে আধুনিক যান্ত্রিকীকরণ করতে কৃষকদের হাতে বিনামূল্যে ধান কাটার মেশিন দিয়ে দেওয়া, তাহলে আমরা হয়তো কৃষি অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যেতাম। কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহে কৃষকদের প্রণোদনা সর্বাগ্রে এবং সর্বাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া উচিত।
করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রবাসী শ্রমিকরা। বছরের পর বছর ধরে তারা তাদের কষ্টার্জিত আয় রেমিট্যান্সের মাধ্যমে পাঠিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। আমাদের যেসব প্রবাসী দেশের বাইরে আছে, তাদের সঠিক কোনো ডাটা আমাদের কাছে নেই। এই করোনাকালে যারা দেশে এসেছেন, এখন আমাদের উচিত প্রথমত তাদের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করা। সরকারকে ধন্যবাদ দিই এজন্য যে, ইতোমধ্যে সরকার তাদের জন্য বিনা জামানতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যেই আমাদের শ্রমিক সংখ্যা বেশি; কিন্তু সেখানে তেলের দাম আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় (সর্বোচ্চ ছিল ১৫০ ডলার, যা এখন প্রায় ১০ ডলার) এবং মহামন্দার অভিঘাতে সেসব দেশে বেশিরভাগ শ্রমিক আর যেতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। আর তাই দক্ষ শ্রমিক তৈরি করে প্রবাসে নতুন নতুন শ্রমবাজারের সন্ধান করতে হবে। তাছাড়া দেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প গ্রহণ করে এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসব প্রবাস ফেরত শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও দেশে বিদ্যমান বেকার এবং করোনার প্রভাবে বেকারসহ সবার জন্য গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক কর্মসূচি (কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মতো) গ্রহণ করে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অত্যন্ত অল্প সুদে আরও প্রণোদনা দিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে বর্তমানে প্রায় ৭৮ লাখ মাইক্রো ও স্মল এন্টারপ্রেনার রয়েছে, যাদের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি ২৪ লাখ কর্মসংস্থান হচ্ছে। এটা আরও বাড়াতে হবে।
করোনার কারণে রপ্তানি বাজার পড়ে গেছে। এজন্য আমাদের এখন নতুন নতুন চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে হবে। যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশেই উৎপাদিত হতে পারে গুণগত বিশ্বমানের পিপিই। দেশের পিপিই চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তা রপ্তানি করার মধ্য দিয়ে অর্থনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। ফলশ্রুতিতে রপ্তানি আয়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশেও রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ও কমে যাবে। এর সঙ্গে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং সংশ্লিষ্ট মেশিনারি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ঔষধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে পারে। করোনা-পরবর্তী বিশ্বে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং রপ্তানি খাত হিসেবে ওষুধ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট মেডিকেল যন্ত্রপাতির চাহিদা বাড়বে। অতএব রপ্তানির জন্য আমরা এগুলোর দিকে এখনই নজর দেওয়া শুরু করতে পারি। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। কারণ আগামীতে বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে। আমাদের দেশ যেহেতু উন্নয়নশীল দেশ, তাই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি বেশি। অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সরকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এ প্রণোদনা প্যাকেজ আমাদের সাময়িক সমস্যা মোকাবিলা করতে পারবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে তা দিয়ে সব সমস্যার সমাধান করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও রূপরেখা প্রণয়ন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পসহ সবধরনের ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতি থেকে উত্তরণে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতি যেহেতু মূলধারায় আসতে সময় নেবে, তাই আমাদেরও সেই ভিশন নিয়ে কাজ করতে হবে।
একদিকে যেমন আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ হবে চলমান প্রকল্পগুলো শেষ করা, অন্যদিকে খাদ্য নিরাপত্তাসহ দেশের কৃষি ও শিল্প উৎপাদন অব্যাহত রেখে কর্মসংস্থান ধরে রাখা, নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা। বিকল্প আমদানি ও রপ্তানি বাজারের ব্যবস্থা করা। প্রবাসী শ্রমিকদের নতুন বাজারের সুযোগ খোঁজা অব্যাহত রেখে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দেশে তাদের স্বল্পমেয়াদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আমাদের এখন প্রকৃতি এবং মানুষবান্ধব টেকসই মানবকল্যাণমূলক স্বনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে- যার নেতৃত্ব দেবেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (আইএফআইএল)
- বিষয় :
- করোনা