ট্রাম্পের ইট ফেসবুকের পাটকেল
×
সুদীপ্ত সাইফুল
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২০ | ১২:০০
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয় বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফেসবুক ও টুইটারে মাঝেমধ্যেই বিস্টেম্ফারক ও অসংলগ্ন মন্তব্য করে বিশ্বব্যাপী সমালোচিত যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্ট। গত ৫ আগস্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, শিশুদের মধ্যে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। বুধবার ফেসবুক ও টুইটারে সাক্ষাৎকারটি পোস্ট করেন ট্রাম্প। এর পরই নড়েচড়ে বসে ফেসবুক ও টুইটার। এক বিবৃতিতে ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, 'ওই ভিডিওতে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, একদল মানুষ কভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত। ফেসবুকে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ভুল তথ্য দেওয়ার ব্যাপারে আমাদের যে নীতিমালা রয়েছে, এটি তার লঙ্ঘন।' অন্যদিকে, এক বিবৃতিতে টুইটার কর্তৃপক্ষ ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে বলেছে- 'আপনি যে টুইটটি করেছেন, তাতে কভিড-১৯ সম্পর্কিত ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে, যা টুইটারের নীতিমালার লঙ্ঘন। এ অ্যাকাউন্ট থেকে পরবর্তী সময়ে কোনো টুইট করতে হলে আগে এই টুইটটি সরিয়ে ফেলতে হবে।'
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী শিশুরা করোনা থেকে সুরক্ষিত। তার এই মন্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে তেমন সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা অন্য কোনো সংস্থা কখনও এ ধরনের বার্তা দেয়নি। বাস্তবতা হলো শিশুরাও করোনা আক্রান্ত হতে পারে এবং তাদের মাধ্যমেও করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। আমরা দেখছি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশুরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং অনেকের মৃত্যুও হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষও পরিস্কার বলেছে, শিশুরাও কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হতে পারে। অর্থাৎ ট্রাম্পের পোস্টে ভুয়া তথ্য থাকার ব্যাপারে ফেসবুক ও টুইটারের তোলা অভিযোগ অহেতুক নয়। এ ধরনের ভুয়া তথ্য করোনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। করোনাকালে এ ধরনের ভুয়া পোস্ট মুছে দিয়ে ফেসবুক নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপনে সমর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে কভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি কভিডের জন্য চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দায়ী করে টুইট করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অর্থ সহায়তাও বন্ধ করে দেন। ট্রাম্প বিভিন্ন সময় বিশ্বনেতাদের আক্রমণ করেও টুইট করতেন। তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নীতিমালা লঙ্ঘন করার অভিযোগ উঠেছিল এবং তার পোস্ট মুছে দেওয়া ও গোপন করা হয়েছিল। গত ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিসে পুলিশ জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে হত্যা করলে বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই সময়ও একটি পোস্ট হাইড করে দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশ্বে তথ্যপ্রবাহকে সহজ ও গতিশীল করেছে। এসব মাধ্যম ব্যবহার করে আমরা যেমন নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারি, তেমনি অন্যদের মতামত জানতে পারি। কিন্তু এই মাধ্যমগুলোতে অনেক সময় মতামত প্রকাশের নামে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ, মানহানি, উগ্রতা, সহিংসতা ও গুজবের মতো নেতিবাচক বিষয়গুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিরাও দায়িত্বশীল জায়গায় যদি এ ধরনের কাজ করেন, সেটি আশ্চর্যের বিষয় বটে। করোনাকালে এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন দেশে করোনা ও এর প্রতিকার নিয়ে কতই না রটনা রটেছে। পাশের দেশে গোমূত্র পানের হিড়িক পড়েছিল করোনা থেকে মুক্তি পেতে। সামাজিক মাধ্যমে এ ধরনের বার্তা প্রচারও করেছিলেন প্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত রাজনীতিকরা। সামাজিক মাধ্যমে সবাই মতামত প্রকাশ করবেন, সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই মতামত যেন গুজব, বিভ্রান্তি, উগ্রতা বা সহিংসতার কারণ না হয় সেদিকেও তীক্ষষ্ট দৃষ্টি রাখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে টুইটার ও ফেসবুক যে সাহসী ভূমিকা রেখেছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী শিশুরা করোনা থেকে সুরক্ষিত। তার এই মন্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে তেমন সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা অন্য কোনো সংস্থা কখনও এ ধরনের বার্তা দেয়নি। বাস্তবতা হলো শিশুরাও করোনা আক্রান্ত হতে পারে এবং তাদের মাধ্যমেও করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। আমরা দেখছি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশুরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং অনেকের মৃত্যুও হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষও পরিস্কার বলেছে, শিশুরাও কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হতে পারে। অর্থাৎ ট্রাম্পের পোস্টে ভুয়া তথ্য থাকার ব্যাপারে ফেসবুক ও টুইটারের তোলা অভিযোগ অহেতুক নয়। এ ধরনের ভুয়া তথ্য করোনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। করোনাকালে এ ধরনের ভুয়া পোস্ট মুছে দিয়ে ফেসবুক নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপনে সমর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে কভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি কভিডের জন্য চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে দায়ী করে টুইট করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অর্থ সহায়তাও বন্ধ করে দেন। ট্রাম্প বিভিন্ন সময় বিশ্বনেতাদের আক্রমণ করেও টুইট করতেন। তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নীতিমালা লঙ্ঘন করার অভিযোগ উঠেছিল এবং তার পোস্ট মুছে দেওয়া ও গোপন করা হয়েছিল। গত ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিসে পুলিশ জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে হত্যা করলে বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই সময়ও একটি পোস্ট হাইড করে দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশ্বে তথ্যপ্রবাহকে সহজ ও গতিশীল করেছে। এসব মাধ্যম ব্যবহার করে আমরা যেমন নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারি, তেমনি অন্যদের মতামত জানতে পারি। কিন্তু এই মাধ্যমগুলোতে অনেক সময় মতামত প্রকাশের নামে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ, মানহানি, উগ্রতা, সহিংসতা ও গুজবের মতো নেতিবাচক বিষয়গুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিরাও দায়িত্বশীল জায়গায় যদি এ ধরনের কাজ করেন, সেটি আশ্চর্যের বিষয় বটে। করোনাকালে এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন দেশে করোনা ও এর প্রতিকার নিয়ে কতই না রটনা রটেছে। পাশের দেশে গোমূত্র পানের হিড়িক পড়েছিল করোনা থেকে মুক্তি পেতে। সামাজিক মাধ্যমে এ ধরনের বার্তা প্রচারও করেছিলেন প্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত রাজনীতিকরা। সামাজিক মাধ্যমে সবাই মতামত প্রকাশ করবেন, সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই মতামত যেন গুজব, বিভ্রান্তি, উগ্রতা বা সহিংসতার কারণ না হয় সেদিকেও তীক্ষষ্ট দৃষ্টি রাখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে টুইটার ও ফেসবুক যে সাহসী ভূমিকা রেখেছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
- বিষয় :
- ট্রাম্পের ইট ফেসবুকের পাটকেল