খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই যোদ্ধার স্মৃতিচারণ ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৫ | ২২:২৫
খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই যোদ্ধার স্মৃতিচারণ ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এটি অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসসমূহ পালনের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক ‘জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫’ পালনের অংশ হিসেবে এ প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আজ ছিল তৃতীয় দিন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও অনুষ্ঠানমালার প্রধান সমন্বয়কারী এস এম আবু নাসের ফারুক। তিনি জুলাই-আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। আহত যোদ্ধাদের জাতির বীর সন্তান উল্লেখ করে তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশ গঠনে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলন এবং তার সফলতা বিস্ময়কর। এ সময় ছাত্র-জনতার সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
জুলাই-আগস্ট বর্ষা বিপ্লবের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও আহত জুলাইযোদ্ধা আব্দুল্লাহ সাফিল, সিরাজুল ইসলাম ইমন, সাইফ নেওয়াজ, আল শাহরিয়ার ও মোহাম্মদ হামীম রাহাত।
স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তারা অগ্নিঝরা দিনগুলোতে খুলনার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার কথা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার, নার্স ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা।
জুলাই যোদ্ধাদের বক্তব্যের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. গোলাম মাসুদ এবং নার্সিং অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক ডা. আব্দুল হালিম সরদার তাদের বক্তব্যে জুলাই যোদ্ধাদের অবদান ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। অধ্যাপক ডা. গোলাম মাসুদ জুলাই যোদ্ধাদের পাশাপাশি পিতা-মাতাদের মহান ভূমিকা উল্লেখ করেন। তাদের বক্তব্যের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজসমূহের মধ্যে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. বিধান চন্দ্র গোস্বামী এবং আদ-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজ, খুলনার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল্লাহ ইবনে আলী আহত জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং জুলাই শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপপরিচালক আসমা খাতুনের সঞ্চালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী ছাড়াও অধিভুক্ত নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।