স্মৃতিপটে জুয়েল,তাকে ঘিরে আড্ডা ও গান
জুয়েল। ছবি:সংগৃহীত
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৫ | ১৪:৫৪ | আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৫ | ১৩:৩৬
নন্দিত কণ্ঠশিল্পী হাসান আবিদুল রেজা জুয়েল। গত বছরের ৩০ জুলাই তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। দেখতে দেখতে জুয়েলবিহীন একটি বছর পার হতে চলছে। তাঁর স্মরণে বন্ধুরা আয়োজন করেছে ‘মহাকালের এক বছর’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠানের। আগামী ১ আগস্ট বেইলি রোডের মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে এতে গান-গল্পে বন্ধু,সহকর্মীরা স্মরণ করবেন জুয়েলকে।
জুয়েলের ভাই মহিবুর রেজা রুবেল বলেন, ‘এটি স্মরণ সভার মতো কোন ট্রাডিশনাল আয়োজন নয়। এখানে জুয়েলকে নিয়ে থাকবে আলোচনা,তাঁর কিছু গানও শুনবো নীরবে। তাঁর বিভিন্ন কাজের উপর অডিও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শিত হবে। থাকবে দোয়ার আয়োজন। সবার অংশগ্রহন কামনা করছি।’
জানা গেছে,এই আয়োজনে সংগীত ঐক্য ,বাংলাদেশ এর নেতৃবৃন্দ,কন্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার,আঁখি আলমগীর,আলিফ আলাউদ্দিনসহ সংগীত শংশ্লিষ্ট অনেকেই উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের ৩০ জুলাই) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জুয়েল। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করছিলেন ‘সেদিনের এক বিকেলে’-খ্যাত এই সংগীতশিল্পী। ২০১১ সালে জুয়েলের লিভার ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর ফুসফুস এবং হাড়েও সেটি ক্রমশ সংক্রমিত হয়। ক্যানসারের কাছে হার মানলেন তিনি।
৯০ দশকের জমজমাট অডিও ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম চমক হিসেবে ধরা দিয়েছেন জুয়েল। আইয়ুব বাচ্চুর সুরে প্রথম অ্যালবাম ‘কুয়াশা প্রহর’ প্রকাশ হয় ১৯৯৩ সালে। প্রথম অ্যালবামেই বাজিমাত করেন । এরপর একে একে প্রকাশিত হয় তাঁর ‘এক বিকেলে’ (১৯৯৪), ‘আমার আছে অন্ধকার’ (১৯৯৫), ‘একটা মানুষ’ (১৯৯৬), ‘দেখা হবে না’ (১৯৯৭), ‘বেশি কিছু নয়’ (১৯৯৮), ‘বেদনা শুধুই বেদনা’ (১৯৯৯), ‘ফিরতি পথে’ (২০০৩), ‘দরজা খোলা বাড়ি’ (২০০৯) এবং ‘এমন কেন হলো’ (২০১৭) অ্যালবাম। এছাড়াও বেশ কিছু সিঙ্গেল ও মিশ্র অ্যালবামে গেয়েছেন । সংগীতশিল্পী হিসেবে তিনি এখনও সর্বাধিক পরিচিত হলেও তার আরও একটি বড় পরিচয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে। পাশাপাশি সঞ্চালনাও করেছেন বহুমূখী প্রতিভার অধিকারী এই শিল্পী।
- বিষয় :
- সংগীতশিল্পী
- স্মরণসভা
