ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

বড় মেয়ের আত্মত্যাগের গল্প দেখে কী বলছেন দর্শক

বড় মেয়ের আত্মত্যাগের গল্প দেখে কী বলছেন দর্শক
×

‘ঝরা বকুল’ নাটকের পোস্টার। ছবি: ফেসবুক

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬ | ১৬:৪৩ | আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ | ১৭:১৯

ছোটপর্দায় তুলনামূলক হারে বাড়ছে পারিবারিক গল্পের নাটক। একক কিংবা ধারাবাহিক নাটকে প্রেম ভালোবাসার পাশাপাশি পরিবারের গল্প তুলে ধরছেন নির্মাতারা। ঈদ উপলক্ষে পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকু নির্মাণ করেছেন ‘ঝরা বকুল’ নামে একটি নাটক, যেখানে তিনি তুলে এনেছেন গরীব পরিবারের বড় মেয়ের গল্প।

মনিরা একটি গরীব পরিবারের বড় মেয়ে। সবার দায়িত্ব নিতে গিয়ে নিজের বিয়েও করা হয়ে ওঠেনি তার। এমনকি মনিরা অন্য পরিবারে চলে গেলে কে সংসার দেখবে এই ভয়ে তার মা নিজেও তাকে বিয়ের জন্য বলে না। কিন্তু কবির মনিরাকে চায়। এভাবেই এগিয়ে যায় গল্প।

নাটকে মনিরা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। আর কবির চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান। ইয়াশ রোহান ও সুনেরাহ বিনতে কামাল ছাড়াও নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন গুণী অভিনেত্রী ডলি জহুর, রোজী সিদ্দিকী ও গোলাম ফরিদা ছন্দাসহ অনেকে।

৩ জুলাই রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তির পর বেশ সাড়া ফেলেছে নাটকটি। সোমবার পর্যন্ত (আজ) ‘ঝরা বকুল’-এর ভিউ ১০ মিলিয়ন (এক কোটি)। নাটকটি দেখে মন্তব্য করেছেন ১১ হাজেরের বেশি মানুষ। তার মধ্যে বেশিরভাগ গল্প ও শিল্পীদের অভিনয়ের প্রশংসা করছেন। আবার কেউ এই নাটকের দ্বিতীয় পার্ট তৈরির আবেদন জানিয়েছেন।

‘ঝরা বকুল’ নাটকের শিল্পীরা। ছবি: ফেসবুক

জসিম উদ্দিন নামে একজন লিখেছেন, “কিছু ভালোবাসা কাছে আসে না, তবুও সারাজীবন হৃদয়ে বকুল ফুলের সুবাস হয়ে বেঁচে থাকে। ‘ঝরা বকুল’ ঠিক তেমনই একটি গল্প। মেয়েটির অভিনয়ে আমি মুগ্ধ।” সীমা আক্তার লিখেছেন, ‘মনিরার মত অনেক মেয়ে আছে কিন্তু মনিরার মত মেয়েরা কখনো কবিরের মত জীবনসঙ্গী পায় না।’

সাজিয়া পায়েল লিখেছেন, ‘জানি না মানুষ সুনেরাহকে নিয়ে এত খারাপ মন্তব্য কেনো করে। ওর কণ্ঠ, ওর চেহারা সবই অন্য রকম। আর কেন জানি সব ধরনের অভিনয়ে মানিয়ে যায়। বড় লোকের মেয়ে, গরীবের বাড়ির মেয়ে, অহংকারী নিরহংকারী, সব চরিত্রে।’

সুমন শেখ লিখেছেন, ‘থার্ড ক্লাস নাটক দেখতে দেখতে ফাইনালি একটা নাটক দেখলাম, যেটার স্ক্রিপ্ট একদম দারুণ। এমন নাটক দেখতে ভালোই লাগে।’

নাটকটির প্রযোজক জামাল হোসেন বলেন, ‘রম্য, রোমান্টিক, অতি আর্ট দেখতে দেখতে দর্শক হয়রান। এসবে গল্প আর বাস্তবতার অভাব থাকে। হাপিয়ে উঠা দর্শক এখন একটা পরিবারের সুখ, দুঃখ, স্ট্রাগল ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে বাস্তবতা খুঁজে পান।’

নির্মাতা রিংকু বলেন, ‘আমি সব সময় পারিবারিক গল্পকে প্রধান্য দিয়ে আসছি। এই নাটকেও দর্শক সেটি দেখছেন। মানুষ নাটকে যখন নিজেদের খুঁজে পান তখন সেটি সহজে গ্রহণ করেন। এই কারণে হয়তো ঝরা বকুল সবার ভালো লাগছে।’

আরও পড়ুন

×