ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের পর বাতিল হতে পারে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’

বিশ্বকাপের পর বাতিল হতে পারে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’
×

ছবি- রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬ | ২১:২৬ | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬ | ২২:২৭

২০২৬ বিশ্বকাপে চালু হওয়া ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে টুর্নামেন্টজুড়েই সমালোচনার মুখে পড়েছে ফিফা। ম্যাচের দুই অর্ধের মাঝামাঝি সময়ে তিন মিনিটের এই বিরতি বেশিরভাগ ফুটবল বিশ্লেষকদের কাছেই অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। সমালোচনার মুখে এবার নিয়মটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার।

বিশ্বকাপের অনেক ম্যাচই অনুষ্ঠিত হয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্টেডিয়াম বা তুলনামূলক শীতল আবহাওয়ায়। তারপরেও বাধ্যতামূলকভাবে তিন মিনিটের ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ রাখা হয়। যেমন সিয়াটলে মিসর ও ইরানের ম্যাচের সময় তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপরও নিয়ম মেনে বিরতি দিতে হয়েছে।

দর্শকদের বড় একটি অংশের ধারণা, ফুটবলকে আমেরিকান স্পোর্টসের আদলে টিভিতে বিজ্ঞাপনের সুযোগ করে দিতেই পরিকল্পিতভাবে এই বিরতি চালু করা হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এই বিরতি ম্যাচের ছন্দ নষ্ট করে এবং প্রতিপক্ষ দলকে কৌশল পরিবর্তনের সুযোগ করে দেয়। অনেক ম্যাচে দেখা গেছে, বিরতির ঠিক পরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরে গেছে।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন আর্সেন ওয়েঙ্গার। কোনো তথ্য-উপাত্ত এই বিরতিকে সমর্থন করে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সোজাসাপ্টা বলেন, ‘না।’

ওয়েঙ্গার বলেন, কিছু ছাদ-ঢাকা স্টেডিয়ামেও বাধ্যতামূলক বিরতি দিতে হয়েছে, যা দর্শকদের ভালো লাগেনি। ফিফা বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন এবং বিশ্বকাপ শেষে এই নিয়ম খেলার ওপর কী প্রভাব ফেলেছে, তা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে। তার ভাষায়, ‘চিকিৎসাগত দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু ক্ষেত্রে এই বিরতি প্রয়োজনীয় ছিল। তবে আমরা দর্শকদের জন্যই ফুটবল আয়োজন করি। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই মূল্যায়ন করা হবে। এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে আমরা অবশ্যই এটি পর্যালোচনা করব।’

আরও পড়ুন

×