ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গুতে আগস্টে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও প্রাণহানি

ডেঙ্গুতে আগস্টে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও প্রাণহানি
×

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। মৃত্যুও থামছে না। ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিচ্ছেন হাসপাতালের কর্মী। গতকাল বুধবার রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতাল থেকে তোলা সমকাল

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৫১

| প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মৃতের সংখ্যা ১০৭ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ১১০ জন। এ বছর মাস হিসাবে আগস্টে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে দুজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা। অন্য তিনজনের মধ্যে দুজন ময়মনসিংহ এবং অন্যজন বরিশাল বিভাগের। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৩৮ হাজার ২৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৩৪ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৩৫ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার দুই সিটির বাইরে ঢাকা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৭১ জন। এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ১১০ জন, চট্টগ্রামে ১৭৫, খুলনায় ১৯০, ময়মনসিংহে ৬৫, রাজশাহীতে ৯১, রংপুরে ৩২ এবং সিলেট বিভাগে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছর মাসভিত্তিক হিসাবে আগস্টে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ মাসে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। একই মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণ শুরু হয় ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায়। ওই বছর তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। একই বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। গত বছরও ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালে এ রোগে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ দুই হাজার।

আরও পড়ুন

×