করোনা সংক্রমণে বিশ্বে দ্বিতীয় রাশিয়া
ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২০ | ০১:১০ | আপডেট: ১৩ মে ২০২০ | ০১:৩২
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে এখন দ্বিতীয় স্থানে চলে এসেছে রাশিয়া। দেশটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩২ হাজার আর সক্রিয় রোগীর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভও রয়েছেন। আক্রান্ত ও রোগীর দিক থেকে এখন যুক্তরাষ্ট্রের পর রাশিয়ার অবস্থান। বর্তমানে আক্রান্ত ও মৃত্যু উভয় দিক থেকেই শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসি ও সিএনএনের।
রুশ কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ১০ হাজার ৮৯৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২ লাখ ৩২ হাজার। এ ছাড়া দেশটিতে মারা গেছেন ২ হাজার ১১৬ জন। তবে আক্রান্তের তুলনায় দেশটিতে মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কম।
রাশিয়া সরকারের তথ্যমতে, গত ১০ দিন ধরে দেশটিতে প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। সোমবার একদিনেই দেশটিতে রেকর্ড ১১ হাজার ৬৫৬ জন করোনায় আক্রান্ত হন। রাশিয়ায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এটাই ছিল একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড।
দেশটির প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা রাজধানী মস্কোর। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। শহরটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজারের বেশি মানুষ। আর মৃত্যু হয়েছে ১১৭৯ জনের।
যুুক্তরাষ্ট্রের জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য বলছে, রাশিয়ায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৫১২ জন। ফলে দেশটিতে এখন সক্রিয় রোগীর ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৫ জন।
অবশ্য আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল স্পেন। দেশটিতে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৬৯ হাজার ৫২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২৬ হাজার ৯২০ জন। এ ছাড়া চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৪৭০ জন। ফলে দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬২ হাজার ১৩০ জন। অর্থাৎ সক্রিয় রোগীর বিবেচনায় এখন দ্বিতীয় অবস্থানে রাশিয়া।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া মারা গেছে ৮১ হাজার ৭৯৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ২২৫ জন। ফলে দেশটিতে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১০ লাখ ৪১ হাজার ৮৭২ জন।
এদিকে টানা দশম দিনের মতো দৈনিক ১০ হাজারের বেশি আক্রান্ত হলেও মঙ্গলবার থেকে লকডাউন শিথিল করেছে রাশিয়া। কারখানা ও নির্মাণশ্রমিকরা কাজে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিভিন্ন আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষকে পরিস্থিতি বুঝে লকডাউন তুলে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।