এখনই খোলা যাবে না পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো
×
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ মে ২০২০ | ০৭:১৬ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
সোমবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার আদেশ হয়েছে। ১ জুন রাজ্যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি খোলা হবে বলে শুক্রবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, এক সঙ্গে কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১০ জন যেতে পারবেন।
রোববার রাজ্যের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো যে, প্রয়োজনীয় সব রকম সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে আরও সময় দরকার। করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২৫ মার্চ প্রথম দফার লকডাউন জারি করার সময় থেকেই বন্ধ হয়ে সবধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দরজা। খবর এনডিটিভির
দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষ বলেছে, স্যানিটাইজেশনসহ সুরক্ষার নানা ব্যবস্থা করতে তাদের আরও সময় প্রয়োজন। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সুরক্ষা সম্পর্কিত অনেকগুলো বিষয় রয়েছে।
বেলুরমঠ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের এক মুখপাত্র বলেন, আরও ১৫-২০ দিনের আগে মন্দিরের দরজা খোলা যাবে না। আমরা সমস্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আলোচনা করে এবং তার ব্যবস্থা করে তবেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করব।
রাজ্যের ইমাম অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের একসঙ্গে ১০ জনের প্রবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানানো পর্যন্ত ২৬,০০০ মসজিদকে অপেক্ষা করতে হবে। তাদের কথায়, “মসজিদে তিন থেকে চারজনেরই নামাজপাঠ চলবে। আরও কিছু সময় আমাদের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আমাদের নামাজ বন্ধ করার কোনও উদ্দেশ্য নেই।
কলকাতার আর্কডিওসিসের ফাদার ডোমিনিক গোমস বলেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে সুরক্ষার সমস্ত নিয়ম মানতে হবে। আমাদের গির্জায় একসঙ্গে ১০ জনকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আগে সমস্ত সুরক্ষার পদক্ষেপ করতে হবে।
রোববার রাজ্যের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো যে, প্রয়োজনীয় সব রকম সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে আরও সময় দরকার। করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২৫ মার্চ প্রথম দফার লকডাউন জারি করার সময় থেকেই বন্ধ হয়ে সবধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দরজা। খবর এনডিটিভির
দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষ বলেছে, স্যানিটাইজেশনসহ সুরক্ষার নানা ব্যবস্থা করতে তাদের আরও সময় প্রয়োজন। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সুরক্ষা সম্পর্কিত অনেকগুলো বিষয় রয়েছে।
বেলুরমঠ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের এক মুখপাত্র বলেন, আরও ১৫-২০ দিনের আগে মন্দিরের দরজা খোলা যাবে না। আমরা সমস্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আলোচনা করে এবং তার ব্যবস্থা করে তবেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করব।
রাজ্যের ইমাম অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের একসঙ্গে ১০ জনের প্রবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানানো পর্যন্ত ২৬,০০০ মসজিদকে অপেক্ষা করতে হবে। তাদের কথায়, “মসজিদে তিন থেকে চারজনেরই নামাজপাঠ চলবে। আরও কিছু সময় আমাদের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আমাদের নামাজ বন্ধ করার কোনও উদ্দেশ্য নেই।
কলকাতার আর্কডিওসিসের ফাদার ডোমিনিক গোমস বলেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে সুরক্ষার সমস্ত নিয়ম মানতে হবে। আমাদের গির্জায় একসঙ্গে ১০ জনকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আগে সমস্ত সুরক্ষার পদক্ষেপ করতে হবে।