কেন্দ্রের কাছে ৫ হাজার কোটি রুপি চাইল দিল্লি সরকার
×
মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল- ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ মে ২০২০ | ০৭:৩৮ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
কর্মীদের বেতন দিতে পারছে না দিল্লির রাজ্য সরকার। তাই কেন্দ্রের কাছে ৫ হাজার কোটি রুপি চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রোববার এক টুইট বার্তায় তিনি জানালেন, কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করছি করোনাভাইরাসজনিত এই সঙ্কটের মুহূর্তে দিল্লির পাশে দাঁড়াতে। খবর এনডিটিভির
রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়াও বলেছেন, ‘৫ হাজার কোটি টাকা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে দিল্লি কিছুই পায়নি। অন্য রাজ্যগুলো এই খাতে টাকা পেয়েছে।’
তার দাবি, সরকারি কর্মীদের বেতন দিতে দিল্লি সরকারের প্রয়োজন ৩ হাজার ৫০০ কোটি রুপি। বাকি খরচ বাবদ প্রয়োজন আরও দেড় হাজার রুপি।
রোববার এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে মণীষ সিসোদিয়া বলেন, ‘আমাদের জিএসটি বাবদ গত দু'মাসে আয় হয়েছে ৫০০ কোটি রুপি। কর্মীদের বেতন মেটাতে আরও অন্তত ৭ হাজার কোটি রুপি প্রয়োজন। এদের মধ্যে অনেকে করোনা যোদ্ধা, যারা গত ৩ মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।’
চতুর্থ দফার লকডাউনের আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তার রাজ্যে রাজস্ব ঘাটতি। তাই তিনি আবেদন করেছিলেন, ‘আমরা ব্যবসা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে। আসুন, করোনাকে সঙ্গে করেই বাঁচতে শিখি।’
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮,৩৮০ জন। একদিনের নিরিখে সর্বাধিক সংক্রমণের নজির। দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার। রোববার সকালে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৩ জনের মৃত্যুর ঘটনার ফলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে।
ভারত এখন করোনায় সবচেয়ে বিধ্বস্ত দেশের তালিকায় ৯ নম্বরে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুইমাসের লকডাউন শেষে অবশেষে লকডাউন খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।
রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়াও বলেছেন, ‘৫ হাজার কোটি টাকা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে দিল্লি কিছুই পায়নি। অন্য রাজ্যগুলো এই খাতে টাকা পেয়েছে।’
তার দাবি, সরকারি কর্মীদের বেতন দিতে দিল্লি সরকারের প্রয়োজন ৩ হাজার ৫০০ কোটি রুপি। বাকি খরচ বাবদ প্রয়োজন আরও দেড় হাজার রুপি।
রোববার এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে মণীষ সিসোদিয়া বলেন, ‘আমাদের জিএসটি বাবদ গত দু'মাসে আয় হয়েছে ৫০০ কোটি রুপি। কর্মীদের বেতন মেটাতে আরও অন্তত ৭ হাজার কোটি রুপি প্রয়োজন। এদের মধ্যে অনেকে করোনা যোদ্ধা, যারা গত ৩ মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।’
চতুর্থ দফার লকডাউনের আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তার রাজ্যে রাজস্ব ঘাটতি। তাই তিনি আবেদন করেছিলেন, ‘আমরা ব্যবসা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে। আসুন, করোনাকে সঙ্গে করেই বাঁচতে শিখি।’
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮,৩৮০ জন। একদিনের নিরিখে সর্বাধিক সংক্রমণের নজির। দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার। রোববার সকালে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৩ জনের মৃত্যুর ঘটনার ফলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে।
ভারত এখন করোনায় সবচেয়ে বিধ্বস্ত দেশের তালিকায় ৯ নম্বরে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুইমাসের লকডাউন শেষে অবশেষে লকডাউন খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।