আদালতে সাক্ষ্য দিলেন বরখাস্ত থাই প্রধানমন্ত্রী
থাইল্যান্ডের বরখাস্ত হওয়া প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। ছবি: রয়টার্স
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৫ | ০৪:২৯
আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন থাইল্যান্ডের বরখাস্ত হওয়া প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। তিনি কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ মোকাবিলায় যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেননি বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার শুনানি হয়। পেতংতার্নকে স্থায়ীভাবে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হবে কিনা– তা নিয়ে আজ শুক্রবার রায় দেবেন আদালত। খবর এএফপির।
পেতংতার্ন সাবেক বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রী ও ব্যবসায়ী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুনসেনের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি দেশের স্বার্থ রক্ষায় যথাযথ অবস্থান নেননি। সেই ফোনালাপের অডিও অনলাইনে ফাঁস হলে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনার পর সারাদেশে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং তাঁর বরখাস্তের দাবিতে আদালতে একটি আবেদন করা হয়। গত মাসে আদালত তাঁকে দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেয় এবং বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আজ আদালতে তাঁর ভাগ্য নির্ধারণ হবে।
এর আগে গত বছর এ ধরনের একটি নৈতিকতার মামলায় আদালত আগের প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়েছিল।
এদিন কালো স্যুট পরে তিনি ব্যাংককের আদালতে পৌঁছান এবং সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা জানান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর উপদেষ্টা প্রোমিন লার্টসুরিদেজ, যিনি একই মামলায় অভিযুক্ত। তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা বিচারকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। তবে শুনানিতে কী বলা হয়েছে, তা প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।
যদি আদালতের রায় পেতংতার্নের বিরুদ্ধে যায়, তবে তিনি হবেন সিনাওয়াত্রা পরিবার থেকে তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদচ্যুত হবেন। এর আগে তাঁর বাবা থাকসিন ও খালা ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল।
গত দুই দশক ধরে থাই রাজনীতি মূলত গড়ে উঠেছে সেনাপ্রধান, রাজতন্ত্রপন্থি রক্ষণশীল অভিজাত গোষ্ঠী এবং সিনাওয়াত্রা পরিবারকে ঘিরে। এই অভিজাত গোষ্ঠী সিনাওয়াত্রাদেরকে দেশের প্রচলিত সামাজিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি মনে করে।
- বিষয় :
- থাইল্যান্ড
- বরখাস্ত
- আদালত
- সাক্ষ্য
