ইমরান খানকে সশরীরে হাজিরের আবেদন খারিজ
জিএইচকিউ হামলা মামলা
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৮:৪৮
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে আদালতে সশরীরে হাজিরের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। দলটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল শুক্রবার রাওয়ালপিন্ডির সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল (এটিসি) তা খারিজ করে দেন। খবর ডন ও জিও টিভির।
মামলার সরকারি কৌঁসুলি জহির শাহ বলেন, পাঞ্জাব সরকারের নির্বাহী আদেশে ট্রায়াল কার্যক্রম আদিয়ালা জেল থেকে এটিসি রাওয়ালপিন্ডিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ২০১৬ সালে ক্রিমিনাল প্রোসিজার কোডে সংশোধনী আনা হয়েছিল, যেখানে সন্দেহভাজনরা ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে আদালতে হাজির হতে পারেন। সরকারের বাধ্যবাধকতা নেই, ট্রায়াল স্থানান্তরের কারণ ব্যাখ্যা করার।
তিনি আরও বলেন, ইমরানের ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে হাজিরার বিরুদ্ধে আবেদন করা মানে ট্রায়ালকে বাধাগ্রস্ত করা এবং সময় নষ্ট করা। আইন অনুযায়ী তারা উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারে। কিন্তু ট্রায়াল বন্ধ হবে না। ইমরানের আইনজীবী ফয়সাল মালিক বলেন, আমরা ন্যায়সংগত ট্রায়ালের দাবি করছি। ন্যায়সংগত ট্রায়াল নিশ্চিত করার জন্য আসামিকে আদালতে সরাসরি উপস্থিত থাকা জরুরি। তারা প্রাদেশিক সরকারের নির্দেশনার একটি কপি পেয়েছেন এবং উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
আদালত পিটিআইয়ের আবেদন খারিজ করে দেন। শুনানিতে বিচারক আমজাদ আলি শাহ জানান, পাঞ্জাব সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ইমরান খান কেবল ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে উপস্থিত থাকবেন।
কয়েক দফা বিলম্বের পর শুক্রবার সকালে ইমরান ভিডিও লিঙ্কে যোগ দেন। তবে তাঁর আইনজীবী ফয়সাল আদালত বর্জন করেন। আদালত তবুও কার্যক্রম চালিয়ে যান এবং প্রসিকিউশনের দুই সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়।
আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফআইএ), পেমরা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১০ সাক্ষীকে হাজির হতে বলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ২০২৩ সালের ৯ মে বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) হামলার ঘটনায় মামলাটি করা হয়। মামলায় আরও অন্তত ১৪৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
- বিষয় :
- পাকিস্তান
- তেহরিক-ই-ইনসাফ
- ইমরান খান
- পাঞ্জাব
