ঐতিহ্যবাহী উর্দু ক্যালিগ্রাফি ধরে রাখতে চান কাশ্মীরি তরুণী
সায়মা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২০ | ০৩:৪৮ | আপডেট: ০২ আগস্ট ২০২০ | ০৬:০১
ছোটবেলা থেকেই ক্যালিগ্রাফির প্রতি দুর্বলতা ছিল কাশ্মীরি মেয়ে সায়মা বাটের। শ্রীনগরের অনন্তনগরের মেয়ে সায়মা পেশা হিসেবেই বেছে নিয়েছেন ঐতিহ্যবাহী কাশ্মীরি ক্যালিগ্রাফি শিল্পকে। তবে আধুনিকতার যুগে প্রায় হারাতে বসেছে নান্দনিক এই শিল্প। তাই নিজে স্কুল খুলে হলেও বাঁচিয়ে রাখতে চান প্রিয় উর্দু ক্যালিগ্রাফি। খবর জি নিউজ ও এএনআইয়ের
সায়মার বাবা-মা চেয়েছিলেন মেয়েকে চিকিৎসক বানাতে। আর তার ইচ্ছা ছিল উর্দু ক্যালিগ্রাফি নিয়ে পড়াশুনা করা। কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হওয়ার পর সায়মা শ্রীনগরের সরকারি শিল্প, ভাষা ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউশনে উর্দু ক্যালিগ্রাফি কোর্সে ভর্তি হন। এ সময় বিভিন্ন বিদেশি ফাউন্ডেশনেও তিনি চাকরির সুযোগ পান। তবে তা বাদ দিয়ে মেতে থাকেন ক্যালিগ্রাফি নিয়েই।
খাত্তাতি নামে পার্সি এবং খুসনাভিসি নামে উর্দু ক্যালিগ্রাফ মুসলিম বিশ্ব বিশেষ করে সৌদি আরব, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতের হায়দরাবাদ, লাখনৌ ও মুম্বাইয়ে বেশ জনপ্রিয় ছিল। সেই জনপ্রিয়তা এখনও ধরে রাখতে কাজ করার পক্ষপাতি সায়মা।
তিনি বলেন, এখন প্রযুক্তির কারণে মানুষ ক্যালিগ্রাফ ভুলে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী উর্দু ক্যালিগ্রাফি তাই হারিয়ে যেতে বসেছে। সায়মা জানান, ক্যালিগ্রাফি বাঁচিয়ে রাখতে তাই কাশ্মীরে নতুন করে ক্যালিগ্রাফ শিখার স্কুল খুলবেন তিনি।
ক্যালিগ্রাফি একাডেমির শিক্ষক আব্দুল সালাম কাসারি বলেন, খুবই মনোযোগী ছাত্রী ছিলেন সায়মা। তিনি এখন স্কুল শিক্ষার্থীদের শেখাচ্ছেন। এতে আরও বেশি মানুষের মধ্যে এ শিল্প বেঁচে থাকবে।
