ঢাকা রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

ইসরায়েলের অভিযান

উচ্ছেদ বার্তার পরপরই লেবাননে হামলা, মেয়রসহ নিহত ৫

উচ্ছেদ বার্তার পরপরই লেবাননে হামলা, মেয়রসহ নিহত ৫
×

ছবি: সংগৃহীত

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬ | ১২:৩১ | আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ | ১২:৩৬

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে উচ্ছেদ আদেশের পরপরই ব্যাপক বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল শনিবার ঐতিহাসিক নাবাতিয়ে শহরসহ ২০টি এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। এতে এক মেয়রেরসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ)।

এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নাবাতিয়েসহ দক্ষিণ লেবাননের ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের নতুন করে বাড়িঘর ছাড়তে বলে। তাদের অবিলম্বে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে জাহরানি নদীর উত্তরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরপরই ওই এলাকাগুলোয় বিমান হামলা শুরু হয়। রিহান, সুজুদ, কানা, বাযুরিয়াহ ও খিয়াম শহরে দফায় দফায় বিমান ও ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। খিয়াম ও কাসিবায় ড্রোন হামলায় একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে।

লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, হামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। জিজিন জেলার রিহান পৌরসভার মেয়র ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া টায়ার জেলার মারাকাহ শহরে একজন এবং নাবাতিয়ের দেইর আল-জাহরানিতে বিমান হামলায় আরও দুজন নিহত হন। কাফর হুনাহ এলাকায় একটি ভ্যান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হলেও সেখানে হতাহতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।

হিজবুল্লাহর প্রতিরোধ
এদিকে সীমান্ত পেরিয়ে অগ্রসর হওয়া ইসরায়েলি পদাতিক বাহিনীকে প্রতিরোধ করার কথা জানিয়েছে হিজবুল্লাহ। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার ভেতরে মাজদাল জুন শহরের দিকে এগিয়ে আসা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেট ও ভারী অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তীব্র প্রতিরোধের মুখে ইসরায়েলি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে উত্তর ইসরায়েলের মারগালিওত এলাকায় অনুপ্রবেশকারী ড্রোনের সাইরেন বাজানো হয়েছে। 

লেবাননে রাজনৈতিক বিভেদ
চলমান এই যুদ্ধ লেবাননের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গভীর ফাটল ধরাচ্ছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এক ভাষণে সতর্ক করে বলেছেন, দেশ এখন এক ভাগ্যনির্ধারক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। লেবাননকে হয় মিলিশিয়াদের (হিজবুল্লাহ) হাতের পুতুল হয়ে থাকতে হবে, না হয় আইনের শাসন মেনে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অস্ত্র এককভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে। 

আরও পড়ুন

×