পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ নিখোঁজ কার্গো বিমান
ছবি: সংগৃহীত
বিবিসি
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬ | ১৮:০৫ | আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ | ১৮:০৮
পাকিস্তানের করাচি উপকূলে ৫ জন ক্রু সদস্যসহ একটি কার্গো (মালবাহী) বিমান নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচি যাওয়ার পথে বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিখোঁজ হওয়ার ঠিক আগে বিমানটিতে নেভিগেশন ত্রুটি দেখা দিয়েছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পাকিস্তানের এভিয়েশন (বিমান চলাচল) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার পর বুধবারেও অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত রেখেছে দেশটির নৌ ও বিমান বাহিনী। প্রায় ২০ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো বিমানটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২১ মিনিটে (১৬:২১ জিএমটি) বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি দ্রুত নিচে নেমে আসে এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সাথে এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
বিমানটি করাচি-ভিত্তিক একটি বেসরকারি কার্গো এয়ারলাইন ‘কে-টু এয়ারওয়েজ’ দ্বারা পরিচালিত হতো। কোম্পানির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এটি ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বুধবার এক বিবৃতিতে কে-টু এয়ারওয়েজ বিমানে থাকা পাঁচজন ক্রু সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ) এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সাথে পুরোপুরি সহযোগিতা করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা আমাদের সহকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য আন্তরিকভাবে প্রার্থনা চালিয়ে যাচ্ছি।
ফ্লাইট-ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম (ফ্লাইট ট্র্যাক করার মাধ্যম) ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, খাড়াভাবে নিচে নেমে আসার আগে বিমানটির উচ্চতায় তীব্র ওঠানামা রেকর্ড করা হয়েছিল।
পাকিস্তানে সর্বশেষ বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনার ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালে একটি অভ্যন্তরীণ যাত্রীবাহী ফ্লাইটে। ওই ঘটনায় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একটি বিমান করাচি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর ঠিক আগে বিধ্বস্ত হয়, যাতে বিমানে থাকা ৯৯ জন আরোহীর মধ্যে দুজন ছাড়া বাকি সবাই নিহত হন।
সূত্র: বিবিসি