ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বেড়েছে

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বেড়েছে
×

গাজায় যুদ্ধবিরতি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও বুধবার উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি হামলায় ৯ জন মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬ | ১২:২০

ইসরায়েলের আগ্রাসন চলছে গাজা ও পশ্চিম তীর দুপাশেই। দুপাশে সেটির ধরন কিছুটা ভিন্ন হলেও ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রভাব এক। তাদের দিন কাটে আতঙ্কে। 

জুনের এক রাতে অধিকৃত পশ্চিম তীরে দেখা গেল কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে পাহাড়ের ওপর উঠে নিচের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে। ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা কোনো হামলা চালাবে কিনা, তা বোঝার চেষ্টা করছেন তারা। এই ফিলিস্তিনিরা স্বেচ্ছাসেবক দলের অংশ। তাদের কাজ এভাবে দৃষ্টি রাখা ও সবাইকে সতর্ক করা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বহু গুণে বেড়ে গেছে। ফিলিস্তিন সরকার এসব হামলা ঠেকাতে কিছু করছে না। 

অন্যদিকে, ইসরায়েল সরকারের অনেক মন্ত্রী এটি উস্কে দিচ্ছেন। স্বেচ্ছাসেবকদের একজন ফাদি আলওয়ান বলেন, ‘আমাদের একা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের কেউ নেই। বাধ্য হয়ে আমাদের এখানে অবস্থান করে শহরকে রক্ষা করতে হচ্ছে।’

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টর-ডান সরকার শত শত নতুন বসতির অনুমোদন দিয়েছে। এর জেরে পুরো পশ্চিম তীরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সহিংসতা।

গাজায় হামলা: এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও গত বুধবার উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি হামলায় ৯ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, ইসরায়েলের চালানো বিমান হামলা ও গুলিতে ওই ৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতাল বিমান হামলায় নিহত চারজনের মরদেহ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। নিহতরা বাস্তুচ্যুত অবস্থায় তাঁবুতে বসবাস করছিলেন। তাদের মধ্যে এক শিশু ও একজন নারী। এ ছাড়া দক্ষিণ গাজার আল মাওয়াসিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত আহমাদ সালিমের মরদেহ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। 

উপত্যকাটির আল শিফা হাসপাতাল দুজনের মরদেহ পেয়েছে। নিহতদের একজন শিশু, পূর্ব গাজা সিটিতে ইসরায়েলি গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে সে। আরেকজন শহরের পশ্চিমাংশে বিমান হামলায় মারা গেছেন।   
 

আরও পড়ুন

×