গাজা নিয়ে দূরত্ব কমাতে ইসরায়েলে যাচ্ছেন ট্রাম্পের জামাই
স্টিভ উইটকফ ও নিকোলায় ম্লাদেনভের সঙ্গে জ্যারেড কুশনার (মাঝে)। ছবি: এএফপি
এএফপি
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:৫৬
গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে মতপার্থক্য দূর করতে আগামী সপ্তাহে তেল আবিবে যাবেন জ্যারেড কুশনার। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত ও মেয়ে জামাই। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শান্তি পরিকল্পনার ১৫ দফা প্রত্যাখ্যানের পর সম্ভাব্য এই সফরের কথা সামনে এলো।
শুক্রবার বোর্ড অব পিস বা শান্তি পর্ষদের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফরে কুশনারের সঙ্গে থাকবেন নিকোলায় ম্লাদেনভ। তিনি শান্তি পর্ষদের গাজা উপত্যকা বিষয়ক হাই-রিপ্রেজেন্টেটিভ। তারা শান্তি পরিকল্পনার মধ্যস্থাতাকারী দেশ মিসরেও যাবেন।
সম্প্রতি ম্লাদেনভ গাজা নিয়ে ১৫ দফা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে জানান, এর আওতায় হামাস নিরস্ত্র হতে রাজি হয়েছে। কিন্তু এরপর সেটি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
পর্ষদের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কুশনার ও ম্লাদেনভ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সামগ্রিক শান্তি পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে গঠনমূলক আলোচনা করতে চান। যেসব উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে, তারা সেগুলো শুনে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করবেন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উভয়পক্ষ অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার উপায় খুঁজছে।
বোর্ড অব পিসের প্রকাশ করা প্রাথমিক সংস্করণে গাজা উপত্যকার একটি বড় অংশ থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু পরে এ অবস্থান থেকে সরে এসে ম্লাদেনভ জানান, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে না।
হামাস আদৌ নিরস্ত্র হবে কি না তা নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীও সংশয় প্রকাশ করেছেন। সেনা প্রত্যাহার অস্বীকার করে নেতানিয়াহু বলেন, হামাসকে এমনভাবে অস্ত্র ধ্বংস করতে হবে, যাতে বিষয়টি যাচাইয়ের মাধ্যমেও নিশ্চিত হওয়া যায়।
- বিষয় :
- গাজা উপত্যকা
- শান্তি পর্ষদ
- ইসরায়েল
- যুক্তরাষ্ট্র