তালেবান সরকারের অংশ হচ্ছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক
×
ছবি: এএফপি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২১ | ০৯:২২
আফগানিস্তানের নতুন সরকার গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য তালেবানের শীর্ষ কয়েকজন নেতা শনিবার কাবুলে জড়ো হয়েছেন। এ বৈঠকে হাক্কানি নেটওয়ার্কের একজন প্রতিনিধিসহ দেশটির সবচেয়ে ভয়ংকর জঙ্গিরা ছিলেন বলে জানা গেছে। এর আগে বহু রক্তপাত ঘটিয়েছে ভয়ংকর জঙ্গিগোষ্ঠী হাক্কানি নেটওয়ার্ক। খবর এএফপির।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভয়াবহ কিছু হামলার জন্য হাক্কানি জঙ্গিগোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক নাগরিক, সরকারি কর্মকর্তা ও বহু বিদেশি বাহিনীর সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। গত সপ্তাহে আফগানিস্তান তালেবানের দখলে চলে যওয়ার পর দেশটির সরকারে শক্তিশালী অংশ হিসেবে হাক্কানি স্থান পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতাদের একজন জালালুদ্দিন হাক্কানি। ১৯৮০-এর দশকে সোভিয়েতবিরোধী জিহাদের নায়ক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন জালালুদ্দিন। তার মৃত্যুর পর হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান হিসেবে তার ছেলে সিরাজুদ্দিন হাক্কানির আবির্ভাব ঘটে। আফগান ও পশ্চিমা বাহিনীর ওপর ভয়াবহ সব হামলার জন্য এই দলকে দায়ী করা হয়। দেশটিতে এখন হাক্কানি গ্রুপই সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং ভীতিকর জঙ্গিগোষ্ঠী। অনেকে মনে করেন, আফগানিস্তানের ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর চেয়ে এই বাহিনী বেশি ক্ষমতাধর। এদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে তালেবানের অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পদের দেখভালের দায়িত্বে আছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক। সিরাজুদ্দিন হাক্কানির বয়স ৪৫ বছর বলে ধারণা করা হয়। তার অবস্থান এখনও অজানা।
আফগানিস্তানে তালেবান সরকার কেমন হবে, তা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জানা যাবে। সশস্ত্র সংগঠনটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই সরকারের রূপরেখা দেওয়া হবে। তালেবানের ওই মুখপাত্রের নাম জানা যায়নি। তিনি বলেন, এই রূপরেখা দেওয়ার জন্য আইন, ধর্ম ও পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।
এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল তালেবান। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হস্তক্ষেপে তারা ক্ষমতাচ্যুত হয়। ওই সময় শরিয়াহ আইন অনুসারে দেশ পরিচালনা করেছিল তারা।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভয়াবহ কিছু হামলার জন্য হাক্কানি জঙ্গিগোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক নাগরিক, সরকারি কর্মকর্তা ও বহু বিদেশি বাহিনীর সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। গত সপ্তাহে আফগানিস্তান তালেবানের দখলে চলে যওয়ার পর দেশটির সরকারে শক্তিশালী অংশ হিসেবে হাক্কানি স্থান পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতাদের একজন জালালুদ্দিন হাক্কানি। ১৯৮০-এর দশকে সোভিয়েতবিরোধী জিহাদের নায়ক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন জালালুদ্দিন। তার মৃত্যুর পর হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান হিসেবে তার ছেলে সিরাজুদ্দিন হাক্কানির আবির্ভাব ঘটে। আফগান ও পশ্চিমা বাহিনীর ওপর ভয়াবহ সব হামলার জন্য এই দলকে দায়ী করা হয়। দেশটিতে এখন হাক্কানি গ্রুপই সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং ভীতিকর জঙ্গিগোষ্ঠী। অনেকে মনে করেন, আফগানিস্তানের ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর চেয়ে এই বাহিনী বেশি ক্ষমতাধর। এদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে তালেবানের অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পদের দেখভালের দায়িত্বে আছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক। সিরাজুদ্দিন হাক্কানির বয়স ৪৫ বছর বলে ধারণা করা হয়। তার অবস্থান এখনও অজানা।
আফগানিস্তানে তালেবান সরকার কেমন হবে, তা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জানা যাবে। সশস্ত্র সংগঠনটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই সরকারের রূপরেখা দেওয়া হবে। তালেবানের ওই মুখপাত্রের নাম জানা যায়নি। তিনি বলেন, এই রূপরেখা দেওয়ার জন্য আইন, ধর্ম ও পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।
এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল তালেবান। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হস্তক্ষেপে তারা ক্ষমতাচ্যুত হয়। ওই সময় শরিয়াহ আইন অনুসারে দেশ পরিচালনা করেছিল তারা।
- বিষয় :
- আফগানিস্তান
- নতুন সরকার
- কাবুল
- হাক্কানি
- তালেবান
