সাক্ষাৎকার
কর্মচারীরা ভোটে এলে সরকারি দপ্তরে বিশৃঙ্খলা হতে পারে
অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ
অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৫ | ০১:৪৪ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৫ | ০৯:২৭
স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বাস্তবায়ন, এর ভালো-মন্দ নিয়ে সমকালের সঙ্গে কথা বলেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অমিতোষ পাল
সমকাল: সংস্কার কমিশনের রিপোর্টে আপনি মৌলিক কী কী পরিবর্তন দেখেছেন?
আকতার মাহমুদ: স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন একটি মৌলিক পরিবর্তনের কথা বলছে। সংবিধানের ৫৯ নম্বর অনুচ্ছেদে ইংরেজিতে ‘লোকাল গভর্নমেন্ট’ থাকলেও বাংলায় আছে স্থানীয় শাসন। এটি হওয়া উচিত স্থানীয় সরকার, যা সারা পৃথিবীতেই স্বীকৃত। এতদিন যেভাবে একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে মেয়র বা চেয়ারম্যান জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং মূলত রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার মতো কাজ করেছেন। তখন একজন মেয়র বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের হাতে ব্যাপক ক্ষমতা লক্ষ্য করা যায়। বর্তমান পদ্ধতিতে পরিষদ অচল অবস্থায় থাকে, এক ব্যক্তির একক সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পায় এবং তাতে এক ধরনের স্বৈরশাসন চলমান থাকে। নতুন পদ্ধতিতে সেটাতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বলা যায়, সংসদীয় ব্যবস্থার মতো করে একটি পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়েছে, যেখানে মেয়র বা চেয়ারম্যানের কাউন্সিল আছে, তেমনি বিরোধী দলের মতো একটি ছায়া পরিষদ রয়েছে। এই প্রতিবেদনে একটি সত্যিকার স্থানীয় সরকার, তার সংগঠন ও কর্মপদ্ধতি প্রস্তাব করেছে, এটি প্রশংসনীয়।
সমকাল: নতুন পদ্ধতিতে চেয়ারম্যান ও মেয়র ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বা কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাহলে যিনি মেয়র বা চেয়ারম্যান হতে চান, কাউন্সিলর বা ইউপি সদস্যদের কিনে মেয়র-চেয়ারম্যানও হয়ে যেতে পারবেন। তাহলে নির্বাচনে টাকার খেলা কি বন্ধ হবে?
আকতার মাহমুদ: এখানে রাষ্ট্রপতি শাসনের মতো অবস্থার বিলুপ্তি হবে। যিনি চেয়ারম্যান বা মেয়র নির্বাচিত হবেন, তাকে এলাকাবাসীর চাহিদা পূরণ করতে হবে। যদি করতে না পারেন, তাহলে তিনি আর পরবর্তী সময় নির্বাচিত হতে পারবেন না। এতে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়বে।
সমকাল: ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলরের ভোটে চেয়ারম্যান-মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি তাদের প্রতিই দায়বদ্ধ থাকবেন। জনগণের চাহিদা কতটা পূরণ হবে?
আকতার মাহমুদ: যিনি চেয়ারম্যান বা মেয়র নির্বাচিত হচ্ছেন, তাকে প্রথমেই জনগণের ভোটে ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলর হতে হবে। ফলে কাউন্সিলর ও সদস্যরা প্রত্যেকে মেয়র বা চেয়ারম্যান হওয়ার মতো যোগ্যতা সম্পন্ন হবেন। জনগণ তেমন যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষকে ভোট দেবেন, যে আগামীতে মেয়র হতে পারেন। ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা মেয়র প্রত্যেক সদস্য ও কাউন্সিলরদের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন এবং জবাবদিহি করবেন। ফলে গণতন্ত্রের চর্চা বাড়বে। মেয়র বা চেয়ারম্যান প্রত্যেক ওয়ার্ডের উন্নয়নের জন্য জবাবদিহি করবেন।
সমকাল: মেয়র-চেয়ারম্যানদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জনপ্রতিনিধির কি এভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করে দেওয়া যায়?
আকতার মাহমুদ: এখানে উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার– শিক্ষিত ও টেকসই উন্নয়নের চিন্তাভাবনা করা ব্যক্তিরা যাতে এ ধরনের পদগুলোতে আসতে পারেন। কম শিক্ষিতরা দেশ চালাতে পারবে না– এটাও সম্পূর্ণ ঠিক না। শিক্ষাগত যোগ্যতার মাপকাঠি দিয়ে উদ্দেশ্য সাধিত হবে বলে মনে হয় না। তবে এটা একটা ব্যারোমিটারও বটে।
সমকাল: নারীর ক্ষমতায়নে ঘুর্ণায়মান পদ্ধতিতে সরাসরি ভোটে নারী জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। এতে নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্য পূরণ হবে?
আকতার মাহমুদ: এই পদ্ধতি সুপারিশ করার আগে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন একটি জরিপ করেছিল। সেখানেও এ পদ্ধতির পক্ষে খুব একটা ভালো মতামত পাওয়া যায়নি। আমাদের সংবিধানের ২৮/৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্র নারীদের ও সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করবে। তাহলে এই ঘুর্ণায়মান পদ্ধতির বাইরেও আমি মনে করি, কিছু আসন নারীদের জন্য থাকা উচিত। কারণ, বাংলাদেশ এখনও এতটা বৈষম্যহীন পর্যায়ে যেতে পারেনি। বিশেষ করে পাহাড়ি জনপদ ও আরও কিছু অনগ্রসর জনগোষ্ঠী দেশে রয়েছে।
সমকাল: স্থানীয় সরকারগুলোতে বিরোধীদলীয় নেতার পদ সৃষ্টিতে কতটা সফলতা আসবে?
আকতার মাহমুদ: এই কমিশন রিপোর্টে সংসদীয় পদ্ধতির আদলে স্থানীয় সরকার সংগঠনের একটি সুন্দর কাঠামো প্রস্তাব করেছে। তবে এটা বাস্তবে পরিচালনা করতে হলে নির্বাচন কমিশন আরও বিস্তারিত নির্দেশনা তৈরি করে দিতে পারে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের পর সংসদের স্পিকারের মতো সভাধ্যক্ষ নির্বাচিত হবে, তারপর নির্বাচিত কাউন্সিলর না সদস্যদের ভোটে মেয়র না চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে। পরিষদের নেতা হিসেবে তিনি ‘মেয়র কাউন্সিল’ তৈরি করবেন, পরে সভাধ্যক্ষের আহ্বানে একটি ছায়া পরিষদ তৈরি হবে, যা বিরোধী দলের মতো কাজ করবে। এতে মেয়র ও তার কাউন্সিলের কাজের একটা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি তৈরি হবে।
সমকাল: জনপ্রতিনিধিদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এটাকে কীভাবে দেখছেন?
আকতার মাহমুদ: এটা খুবই ভালো। এতে করে তারা নিজেরাও সম্মানিত বোধ করবেন। দায়িত্ববোধ বাড়বে। দুর্নীতি কতটা কমবে বলতে পারব না। তবে এ ক্ষেত্রে তাদের জন্য একটা কোড অব কন্ডাক্ট তৈরি করে দিতে হবে। সেখানে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের বিষয় উল্লেখ থাকবে। পদে আসীন হলে সে কোন কাজটা করতে পারবে, আর কোনটা করতে পারবে না। স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান বা মেয়র, সদস্য বা কাউন্সিলর কেউই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত লাভজনক কাজে জড়িত থাকতে পারবে না।
সমকাল: স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে।
আকতার মাহমুদ: সংস্কার কমিশন আমাকে একবার ডেকেছিল। তখন বলেছিলাম, আমাদের সারাদেশব্যাপী ভূমি ব্যবহার কেমন হবে তার পরিকল্পনা দরকার, সঙ্গে পরিকল্পনার আলোকে ভূমি ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ থাকাও জরুরি। জাতীয় ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনায় স্থানিক পর্যায়ে উপজেলা ও পৌরসভার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এ জন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত একটা পরিকল্পনা অফিস এবং পরিকল্পনাবিদ থাকতে হবে। তারা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় নির্বাহী বিভাগ এবং জনগণের অংশগ্রহণে যৌথভাবে উপজেলার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করবে। সেটা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।
সমকাল: স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি চাকরিজীবীরা ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার সুযোগ পাওয়াকে কীভাবে দেখছেন?
আকতার মাহমুদ: এতে ভালোর চেয়ে খারাপ দিকটাই বেশি হবে বলে মনে করি। শিক্ষিত লোক আসবে ঠিকই। কিন্তু সরকারি অফিসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। সে তার পদকে ব্যবহার করবে। এতে করে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
সমকাল: নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়াকে কীভাবে দেখছেন?
আকতার মাহমুদ: এটা আমার কাছে খুবই গ্রহণযোগ্য মনে হয়। এমনিতেই আমাদের দেশে স্থানীয় পর্যায়ে দলাদলি লেগেই থাকে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে দলাদলিটা বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে যাবে।
সমকাল: নতুন পদ্ধতিতে পেশিশক্তির ব্যবহার কতটা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে হয়?
আকতার মাহমুদ: আমাদের দেশের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে রাজনৈতিক চর্চা করাকে পছন্দ করে। ঘর থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র, চায়ের দোকান পর্যন্ত নিয়ে যায়। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব পরিবার ও সমাজে খারাপভাবে ছড়িয়ে পড়ে। দলীয় প্রতীক না থাকায় ভালো মানুষের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। এতে পেশিশক্তির ব্যবহার কমবে। তবে নির্বাচনটা সুষ্ঠু হতে হবে।
সমকাল: এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে লাভ কী?
আকতার মাহমুদ: এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে প্রস্তাবিত নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্থানীয় সরকার, জনসংগঠন ও জনপ্রকৌশল সেবা’ মন্ত্রণালয়। যার দুটি বিভাগ, একটি স্থানীয় সরকার ও জনপ্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং অন্যটি জনপ্রকৌশল ও সেবা বিভাগ। স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে সেবা দেওয়াকে প্রাধান্য দিতে এমন নাম দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারও প্রস্তাব করা হয়েছে এই রিপোর্টে। গ্রাম ও নগর সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ‘স্থানীয় সরকার সার্ভিস’ নামে একটি নিজস্ব সার্ভিস কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে জনবল ঊর্ধ্বমুখী ও নিম্নমুখী পদায়নের ব্যবস্থা থাকবে। জেলা, উপজেলা ও পৌরসভাগুলোতে পরিকল্পনাবিদ, অর্থ ও বাজেট কর্মকর্তার পদ সৃষ্টি করে তা স্থানীয় সরকার সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আমি মনে করি, এগুলো খুবই ইতিবাচক প্রস্তাব। এতে কাজের মান ও জনগণের প্রতি সেবা মান বৃদ্ধি পাবে।
সমকাল: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (ডিপিএইচ) একীভূত করে প্রকৌশল অধিদপ্তর করার কথা বলা হয়েছে। এতে বাড়তি সুফল মিলবে কিনা?
আকতার মাহমুদ: একই মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অধীনে দুটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। ক্যাডারভুক্ত হওয়ার সব যোগ্যতা থাকলেও বর্তমানে এলজিইডির কর্মকর্তারা ক্যাডারভুক্ত নয়। জনস্বাস্থ্যে ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তা আছে। এলজিইডি এবং ডিপিএইচই একীভূত হলে আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বৈষম্য কমবে, এলজিইডিও ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তা পাবে। এলজিইডি এবং ডিপিএইচ অনেক কাজ করে। তখন একটা দপ্তর থেকে অনেক কাজ করতে হবে। এদের কাজের দ্বৈততা কমে যাবে, সেবার মান বাড়বে। এই দপ্তরের ভেতর থেকে পরিকল্পনাও করতে হবে। এখানে পরিকল্পনা শাখাকে আলাদা করতে হবে।
সমকাল: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে ইউনিয়ন-পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে নির্বাচনী ব্যয় কমে। এটা কি সম্ভব?
আকতার মাহমুদ: জাতীয় নির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচন দুটিতে জনগণ আসলে তাদের সরকার নির্বাচন করছে। একটি কেন্দ্রীয় এবং অন্যটি স্থানীয় পর্যায়ে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে একসঙ্গে নির্বাচনে সমস্যা নেই এবং নির্বাচনী ব্যয়ও কমবে। কিন্তু এই কমিশন প্রস্তাব করছে, স্থানীয় নির্বাচন হবে দলীয় প্রতীক ছাড়া। একই সঙ্গে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন করা হলে স্থানীয় নির্বাচন আবার দলীয় প্রভাব বাড়বে। তাহলে এই সংস্কার কমিশনের ‘দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে’ প্রস্তাব বাধাগ্রস্ত হবে।
সমকাল: চৌকিদার প্রথা বাদ দিয়ে স্থানীয় পুলিশ ব্যবস্থার প্রবর্তন ও গ্রাম আদালত বিলুপ্ত করে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত দেওয়ানি-ফোজদারি আদালত গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটাকে কীভাবে দেখছেন?
আকতার মাহমুদ: স্থানীয় পর্যায়ে বিচারিক ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণের প্রস্তাব অত্যন্ত ইতিবাচক। কমিশন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়া সারাদেশের সব উপজেলায় আগামী দুই বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত স্থাপনের প্রস্তাব করেছে। এর পাশাপাশি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একই মর্যাদার ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি’ কার্যালয় স্থাপন করতে সুপারিশ করেছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে বিচারপ্রার্থীদের জন্য সহজ করবে।
সমকাল: আপনাকে ধন্যবাদ।
আকতার মাহমুদ: আপনাকেও ধন্যবাদ।
- বিষয় :
- সাক্ষাৎকার
