চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের কারাগারে
মোহাম্মদ সাহেদ। ছবি-সংগৃহীত
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬ | ১৯:২৩
মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা চেক ডিজঅনারের মামলায় সেই রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার ৫ নম্বর যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাদিক আহম্মেদ সোমবার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
এদিন সাহেদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন। তিনি বলেন, মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের মামলাটি যখন হয় তখন তিনি কারাগারে ছিলেন। সে সময় মামলাটিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত তাকে এই মামলায় এক বছরের সাজা দেন এবং সমপরিমাণ টাকা (২ কোটি ১৬ লাখ) অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এখন যেহেতু উনি কারাগারে গেছেন আমরা আপিল করব।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ব্যবসার জন্য মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের কাছে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋন নেন। ব্যাংক ঋনের বিপরীতে সিকিউরিটি জন্য ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ একটি চেক জমা দেন। পরে সেই ঋনের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করেন। ওই ঘটনায় নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট আইনের ১৩৮ ধারায় আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। এরপর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারের জন্য ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির নির্দেশ দেন।
মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ৪ মে তাকে এই মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড এবং সমপরিমাণ টাকা (২ কোটি ১৬ লাখ) অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। ওই সময় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
করোনারভাইরাস নমুনাশনাক্ত করণ পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে আলোচনায় আসা সাহেদকে আজ সকালে রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাকে পল্লবী থানায় সোপর্দ করা হয়।
এর আগে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর দীর্ঘদিন তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা ছিল। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি।