ঢাকা রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারকে জামায়াত জোট

৬ দফা না মানলে এক দফা

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ

৬ দফা না মানলে এক দফা
×

চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি ময়দানে গতকাল শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান -সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৫০ | আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:৩২

| প্রিন্ট সংস্করণ

গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী হুবহু সংবিধান সংস্কার না করলে ছয় দফা দাবি এক দফায় পরিণত হবে বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। গতকাল শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চের পথসভাগুলোতে এসব কথা বলেছেন তারা। 

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে প্রথম পথসভার পর গতকাল সকাল ৯টার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে লংমার্চ। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা হয়। নেতাকর্মীর ভিড়ে তা জনসভায় রূপ নেয়। রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে পৌঁছে লংমার্চ। সেখানে সমাবেশের মাধ্যমের কর্মসূচির ইতি টানা হয়।

লংমার্চের বহরে হাজারখানেক গাড়ি থাকবে বলে জানানো হয়েছিল। কুমিল্লার মেঘনা-গোমতী সেতুতে ছয় শতাধিক গাড়ি পার হয়েছে টোল দিয়ে। তবে গাড়ির প্রকৃত সংখ্যা জানা যায়নি। কারণ, ১১ দলের নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীদের তাদের গাড়ি নিয়ে কুমিল্লায় সেতু পার হওয়ার আগে ফেরত আসে। আবার কুমিল্লার নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে যুক্ত হয় সেতু পার হওয়ার পর।

প্রকৃত সংখ্যা জানাতে পারেনি জামায়াতও। জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে তেল পুড়িয়ে লংমার্চের সমালোচনা করছেন বিএনপির মন্ত্রী, নেতা, সমর্থকরা। তবে তা নাকচ করেছে জামায়াত-এনসিপির জোট। ১১ দলের সমন্বয়ক এবং জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সমকালকে বলেন, এগুলো অযৌক্তিক বিরোধিতা। ২০১১ ও ১২ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে লংমার্চ হয়েছিল। তখনও তো জ্বালানি খরচ হয়েছিল। 

গণভোটের ফল অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গ্যাস-বিদ্যুৎ-সার সংকট নিরসন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে গতকাল চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ করেছে জামায়াত। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর রুটে লংমার্চ করবে ১১ দল। পরের মাসে খুলনা ও সিলেটের পথে লংমার্চ হবে ছয় দফা দাবিতে। ১৪ নভেম্বর ঢাকায় হবে মহাসমাবেশ।
 

‘আঙুল বাঁকাতে বাধ্য করবেন না’
লালদীঘি ময়দানে জনসভায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমরা কাউকে বিদায় দিতে চাই না। কিন্তু কেউ নিজ থেকেই যদি বিদায় নিতে চায়, তাহলে আমরা কি তাকে সুরা পড়ে ফুঁ দিয়ে পানি খাওয়াব?’ 

এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এবারের লংমার্চ সরকারকে সতর্ক করার জন্য। কিন্তু বাকিগুলো এ রকম হবে না। এখন পর্যন্ত আঙুল সোজা। কিন্তু আঙুল বাঁকাতে বাধ্য করবেন না।’

গণরায় মেনে না নিয়ে সরকার মানুষের সঙ্গে গাদ্দারি করছে বলে অভিযোগ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা থামব না। বাংলাদেশে পরিবর্তন আসবেই। লড়াইয়ে জনগণ বিজয়ী হবে। ফ্যাসিবাদীরা হেরে যাবে।’ 

অলি আহমদ বলেন, ‘অতীতে অনেক সরকার এসেছে। কিন্তু কখনও ছয় মাস পর কাউকে বলতে শুনিনি– সরকার টিকবে না। প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, ১১ দলের পক্ষ থেকে আপনার ভয় নেই। আপনার সমস্যা আপনার আশেপাশের লোকজন।’ 

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বিরোধী দল সহযোগিতা না করলে তারেক রহমান সরকার চালাতে পারবেন না– বিষটা মেনে নেন। মানুষ বিকল্প খুঁজছে। এই লংমার্চে দেখা গেছে, বিকল্প কারা। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। নতুন করেও কাউকে ফ্যাসিস্ট হতে দেব না।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম, দেশে আর গুম-খুন হবে না। কিন্তু দেখলাম, আমাদের বন্ধুরা ক্ষমতায় বসে সব ভুলে গেছেন।’

মতিঝিলে হাজারো নেতাকর্মীর জমায়েত 
শনিবার ভোর থেকেই শাপলা চত্বরে জমায়েত হতে শুরু করেন ১১ দলের নেতাকর্মীরা। তবে তাদের অধিকাংশ ছিলেন জামায়াতের নেতাকর্মী। এর বাইরে এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীদের কিছু উপস্থিতি ছিল। অন্যান্য দলের নেতারা মঞ্চে থাকলেও তাদের কর্মীদের সমাগম-মিছিল দেখা যায়নি।

মতিঝিলে হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে পথসভা রূপ নেয় জনসভায়। সেখানে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান সরকারের উদ্দেশে বলেন, পরিষ্কার বলে দিচ্ছি– জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।

বিদ্যুৎ বিলের ক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীকে গালাগাল করায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার সিফাত আবদুল্লাহর মুক্তি দাবি করেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ নেই; অথচ ভূতুড়ে বিল আছে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না। অতিষ্ঠ বিরক্ত হয়ে সিফাত নামে একজন তরুণ কী বলেছিল, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় গিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। তাকে ভালোয় ভালোয় ছেড়ে দিন। মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি ওলটপালট করে দিয়েছিল।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে চাইছে, তাদের রুখতে লংমার্চ। এতে বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে।

অলি আহমদ বীরবিক্রম বলেন, বিরোধী দল প্রথম রাউন্ডের কর্মসূচি শেষ করেছে; দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু হয়েছে। এখনই সতর্ক না হলে অন্যরা যেভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, একই পরিণতি হবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, লংমার্চের বার্তা এখন না বুঝলে তাদের জন্যও সেই পরিণাম অপেক্ষা করছে, যা প্রত্যেক স্বৈরশাসকের ক্ষেত্রে হয়েছে।

পথে পথে ভিড়, পথসভা
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে পথে রাস্তার দুই পাশে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়ে লংমার্চের গাড়িবহরকে স্বাগত জানান জামায়াতের নেতাকর্মীরা। ছিল এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফতের নেতাকর্মীদেরও উপস্থিতি। এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে সমবেতদের ছিল আগ্রহ।

যানজট এড়াতে লংমার্চের গাড়ি এক সারিতে চলে মহাসড়কে। ছাদখোলা গাড়ি থেকে হাত নাড়িয়ে সমবেত নেতাকর্মী ও পথচারীদের অভিবাদন জানান জামায়াত আমিরসহ জোটের অন্য নেতারা। তাদের দেখতে ভিড় করা মানুষে নানা জায়গায় সড়ক বন্ধ হয়। পথসভার এলাকাগুলোতে সড়ক বন্ধ হওয়ায় যানজট হয়।

সন্ধ্যার আগে মিরসরাইয়ে পথসভা করে ১১ দল। এতে শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি সরকার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস দিতে ব্যর্থ। কৃষক সার পায় না। উচ্চ মূল্যে কিনতে হচ্ছে। সব জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সরকার আছে সব জায়গায় দলীয়করণে। বিএনপি সরকার অকার্যকর, অদক্ষ। 

এক দফার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা এখনও সরকারের বিরুদ্ধে না। কিন্তু ছয় দফা পূরণ না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা দেব।

এই পথসভায় আরও বক্তৃতা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ। এর আগে ফেনীর মহিপালে পথসভায় বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, প্রথম দিন থেকেই বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। 

অন্য পথসভার মতো ফেনীতে জামায়াত আমির সমবেতদের কাছে জানতে চান, ওই এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি হয় কিনা? সমবেতরা বলেন, ‘হ্যাঁ হয়।’ বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এখানেও এই অবস্থা?

নামে পথসভা হলেও মহিপালে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কে তা জনসভায় রূপ নেয়। বক্তৃতা করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ জোটের দলগুলোর জ্যেষ্ঠ নেতারা।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে জামায়াত আমির বলেন, এই চোখ রাঙানি কোথায় ছিল সাড়ে ১৫ বছর? সরকারের অনুগ্রহে অনুমতি না পেলে রাস্তায় ১০ জন মানুষ নিয়ে নামার সাহস আপনারা করেননি। এখন চোখ রাঙান– এগুলো ভয় করি না। সব পর্যায়ে বেপরোয়া, নির্লজ্জ-বেহায়া দলীয়করণ করবেন, আর বিরোধী দল বসে বসে আঙুল চুষবে? 

কুমিল্লায় দুই পথসভা 
প্রথমে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এবং পরে চৌদ্দগ্রামে পথসভা করে ১১ দল। পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে শফিকুর রহমান বলেন, লংমার্চের পর ঢাকায় সমাবেশ হবে। আপনারা চিড়ামুড়ি নিয়ে ঢাকার সমাবেশে আসবেন। জুলাই সনদের দাবি আদায় করব। আমরা আশাবাদী, আস্থাশীল। জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব। দুর্নীতিমুক্ত ও ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গড়তে যত দাবি আছে, তা আমরা আদায় করব ইনশাআল্লাহ। 

এই পথসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তো সংসদে সব মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। কিন্তু নিজের মন্ত্রণালয়ে তাঁর কোনো খবর নেই। তাঁর দলেরই জ্যেষ্ঠ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘বাংলাদেশ মাদকে সয়লাব। আর সবচেয়ে বড় চালান আসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়ির পাশ দিয়ে।’ তিনি তাঁর নিজের বাড়ির মাদকের চালান বন্ধ করতে পারেন না, তিনি আবার সব মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে বসে আছেন।

কুমিল্লা বিভাগের দাবিকে সমর্থন করে জামায়াত আমির বলেছেন, এত বছর ধরে আন্দোলন হলেও বিভাগ করা হচ্ছে না। কুমিল্লাবাসীর অপরাধ কী? সরকারকে পরিষ্কার বলছি, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর ধানাইপানাই করবেন না। কুমিল্লা বিভাগ দিন। নোয়াখালী বিভাগও দিন। সবদিক থেকে উত্তম হলে কুমিল্লার বিমানবন্দর চালু করুন।

অলি আহমদ বলেন, ছয় দফা না মানলে ডিসেম্বর মধ্যে এই সরকারের পতন হবে। ২০২২ সালে বলেছিলাম, শেখ হাসিনাকে এক কাপড়ে দেশ ত্যাগ করতে হবে। তা-ই হয়েছে।

মামুনুল হক বলেন, বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করছে। শেখ হাসিনা মেগা প্রকল্পের নামে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি করে গিয়েছেন। এ সরকার কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছে। মানুষ এখন সরকারকে লাল কার্ড দেখাবে।

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ১২শ টাকার বিদ্যুৎ বিল চার হাজার টাকা হয়ে গেছে। বিদ্যুৎমন্ত্রী বিদ্যুৎ দিতে না পেরে আইসিইউতে চলে গেছেন। 

পদুয়ার পর চৌদ্দগ্রামে পথসভা করে ১১ দল। জামায়াতের নায়েবে আমির এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের লংমার্চকে স্বাগত জানান তাঁর নির্বাচনী এলাকায়। ঢাকার পর প্রথম সভায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ১১ দলের নেতারা বলেন, সরকার প্রতারণা করছে। 

লংমার্চে ১১ দলের শরিক বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম প্রমুখ অংশ নেন। বিভিন্ন পথসভায় বক্তৃতা করেন।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, নির্বাহী পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, রেজাউল করিম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহসহ ১১ দলের এমপিরা লংমার্চে অংশ নেন।

(এ প্রতিবেদনে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যুরো, জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিরা।)

আরও পড়ুন

×