পূর্ব মেরংলোয়ায় সূর্যমুখীর সৌন্দর্য
রামুর আকতার কামালের সূর্যমুখী বাগানে কেউ ছবি তুলছেন, কেউ নিচ্ছেন সেলফি সমকাল
খালেদ শহীদ, রামু (কক্সবাজার)
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ | ০৭:২৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
রামুর গ্রামটির নাম পূর্ব মেরংলোয়া। সেই গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা আকতার কামালের সূর্যমুখী ফুলের বাগানটি এখন স্থানীয়দের জন্য বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে এলাকাজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে বাগানটি। প্রতিদিন বাগান দেখতে শত মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসেন বাগানে।
কৃষি উদ্যোক্তা আকতার কামাল জানান, আলুক্ষেতে সাথি ফসল হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ করেছেন। ভালো ফলন হলে ভবিষ্যতে ব্যাপক হারে করার চিন্তা আছে। তিনি বলেন, ‘৮৫ দিন আগে লাগানো প্রায় প্রতিটি গাছে এখন ফুল ফুটেছে। দর্শনার্থীরা আগ্রহ নিয়ে আমার বাগান দেখতে আসছেন, ছবি তুলছেন, ভিডিও করছেন। তবে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় আমাকে কড়াকড়ি করতে হচ্ছে।’
বুধবার বিকালে দেখা গেছে, মহাসড়কের পাশের এক বিঘা জমিতে প্রায় চার-পাঁচ ফুট উঁচু সূর্যমুখী গাছের শোভা। দর্শনার্থীরা স্মার্টফোনে বাগানের ছবি তুলছেন, ভিডিও তৈরি করছেন। তবে অতিউৎসাহী দর্শনার্থীদের বেপরোয়া হাঁটাচলার কারণে আলু গাছের কিছুটা ক্ষতি হচ্ছে।
বাগান দেখার জন্য আসা কলেজ শিক্ষার্থী নওশাদ পারভেজ বলেন, ‘রামুতে প্রথমবার সূর্যমুখীর সৌন্দর্য দেখছি। সবুজের বুকে হলুদ ফুল সত্যিই মনোমুগ্ধকর। ছবি তোলার সময় কৃষকের ফসলের যাতে ক্ষতি না হয়, সে দিকে সবার সজাগ থাকা উচিত।’ পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ‘সূর্যমুখীবাগানটি সৌন্দর্যপ্রেমীদের কাছৈ দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিত হয়েছে। তেলবীজ উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষি পর্যটনের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে এখানে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুশান্ত দেব নাথ শুভ বলেন, ‘আকতার কামাল উদ্ভাবনী ফসল চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আলু ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে সূর্যমুখী চাষ করে তিনি সফল হয়েছেন। উৎপাদিত পণ্যের সুষ্ঠু বিপণন নিশ্চিত করা গেলে কৃষকদের উৎসাহ আরও বাড়বে।”
- বিষয় :
- সূর্যমুখী
