রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে লন্ডনে আনন্দধারা আর্টসের ব্যতিক্রমী আয়োজন
ছবি-সংগৃহীত
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬ | ২০:১৯
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দধারা আর্টস আয়োজন করে ‘নানা রঙের রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক এক ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান। ৯ মে পূর্বলন্ডনের রেডব্রীজের মেথডিস্ট চার্চ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় শিশুশিল্পীদের মনোমুগ্ধকর সমবেত পরিবেশনা ‘আমরা নূতন প্রাণের চর’-এর মধ্য দিয়ে।
এরপর মঞ্চস্থ হয় ‘সত্যজিতের চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রসংগীত’, যা গ্রন্থনা ও উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উদয় শঙ্কর দাশ। এ পর্বে উর্বী মধুরা, মৃত্তিকা সহিতা এবং ইমতিয়াজ আহমদের কণ্ঠে পরিবেশিত গানগুলো দর্শকদের মুগ্ধ করে।
রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী প্রবুদ্ধ রাহার একক পরিবেশনা ছিল অনবদ্য। দর্শক-শ্রোতারা সুরের মূর্ছনায় আপ্লুত হয়ে ওঠেন।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পরিবেশনা ছিল ‘রবীন্দ্র বাউলের গান’। এ পর্বে রবীন্দ্রনাথের বাউলভাঙা গানের সঙ্গে মূল বাউল গানের পরিবেশনা এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে। আনন্দধারা আর্টসের শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা এবং দর্শকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে আরও জীবন্ত করে তোলে।
আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক ডা. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের জন্ম অবিভক্ত বাংলায়। তাঁর পূর্বপুরুষ পূর্ববাংলার। তাঁর সমগ্র সৃষ্টির ভেতর পূর্ববাংলা, অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশের প্রকৃতি ও তার নিবিড় বন্ধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁকে কেবল ভারতীয় কবি হিসেবে গণ্ডিবদ্ধ করার কুচক্র কীভাবে সম্ভব? যিনি তাঁর সমস্ত সৃষ্টির মধ্য দিয়ে বিশ্বজগতের হয়ে উঠেছেন, তাঁকে ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ করতে চাওয়া মানে নিজেদের ক্ষুদ্রতাকেই বারবার প্রকাশ করা। আমরা সেই ক্ষুদ্রতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির ভেতর দিয়ে অন্য এক জীবন উদযাপন করতে চাই।’
অনুষ্ঠানে যন্ত্রসংগীতে ছিলেন অনিরুদ্ধ মুখার্জি, অমিত দে, পিয়াস বড়ুয়া, অমি ইসলাম ও তানিম। শব্দ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন আরাফাত কীর্তি এবং মঞ্চসজ্জায় ছিলেন গোলাম আকবর মুক্তা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
- বিষয় :
- প্রবাস
