ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

প্রিন্স উইলিয়ামের হাত থেকে ‘এমবিই’ খেতাব পেলেন বাংলাদেশি আবু তাহের

প্রিন্স উইলিয়ামের হাত থেকে ‘এমবিই’ খেতাব পেলেন বাংলাদেশি আবু তাহের
×

প্রিন্স উইলিয়ামের কাছ থেকে খেতাব গ্রহণের করেন আবু তাহের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬ | ১৬:১১ | আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ | ১৬:৪২

যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক উইন্ডসর ক্যাসেলে ‘মেম্বার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (এমবিই)’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বিশিষ্ট হিসাবরক্ষক, সাহিত্যিক ও সমাজসেবক আবু তাহের। বুধবার ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স উইলিয়ামের হাত থেকে তিনি এ সম্মাননা গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিনের পেশাগত সাফল্য ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাজ্য সরকার তাকে এ মর্যাদাপূর্ণ খেতাব প্রদান করে।

লন্ডনের নিকটবর্তী উইন্ডসর ক্যাসেলে এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আবু তাহেরের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী মিতা তাহের, মেয়ে অনিকা তাহের এবং ছেলে তামিম তাহের। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মুহূর্তটি আরও আবেগঘন হয়ে ওঠে। সম্মাননা গ্রহণের পর আবু তাহের বলেন, ‘এমবিই খেতাব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্ব ও সম্মানের। এই স্বীকৃতি আমাকে মানুষের কল্যাণে আরও বেশি কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। আমি এ অর্জন পরিবার, সহকর্মী ও কমিউনিটির মানুষদের উৎসর্গ করছি।’

বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া আবু তাহের ১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। পরে তিনি দক্ষ হিসাবরক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৯৯ সালে পূর্ব লন্ডনে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মাহি অ্যান্ড কো সার্টিফাইড প্র্যাকটিসিং অ্যাকাউন্ট্যান্টস’। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনকে আর্থিক পরামর্শ ও হিসাবরক্ষণ সেবা দিয়ে সুনাম অর্জন করেছে।

পেশাগত জীবনের পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায়ও রয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ১৯৮৮ সালে যুক্তরাজ্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ‘সংহতি লিটারারি সোসাইটি’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। বর্তমানে সংগঠনটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আবু তাহের ‘মাসুমা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট্রে’র মাধ্যমে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান করে আসছেন। এছাড়া নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘টি৫ টেইলারিং ট্রেনিং সেন্টার’। পাশাপাশি ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও কাজ করছেন তিনি; যার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রবাসী গোলাপগঞ্জবাসীর মিলনমেলা হিসেবে গোলাপগঞ্জ উৎসবের আয়োজক এবং বৃদ্ধ ও অসহায় মানুষের জন্য হেভেন কেয়ার হোম নামে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছেন তিনি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 

আরও পড়ুন

×