মুমিনুলদের বিপক্ষে ‘বিশেষ’ গোলাপি বল চায় ভারত
ছবি: ফাইল
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০১৯ | ০৪:১৮ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০১৯ | ০৪:৪৯
ইডেন গার্ডেনে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথমবার দিবা-রাত্রীর টেস্ট খেলবে ভারত। ম্যাচটি আবার হবে গোলাপি বলে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ক্রীড়া সামগ্রি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসজির কাছে তাই বিশেষ বল চেয়েছে। যে বল, অনেকটা লাল বলের মতোই আচরণ করবে। গোলাপি বল লাল বলের চেয়ে দ্রুত রঙ এবং আকার হারায়। এই বিষয়গুলোর মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে এসজিকে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক পরশ আনন্দ টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, ‘আমরা ক্রিকেটারদের চাওয়াটা ভালো করে শুনেছি। লাল বলের মতোই আচরণ করে এমন করে গোলাপি বল প্রস্তুত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে আমাদের।’ লাল বলের রঙ গাড় হয়। ক্রিকেটাররা বল সাইন করলে সারাদিন বলে সুইং পান। কিন্তু গোলাপি বলের রঙ উজ্জ্বল। পরশ জানিয়েছেন, এই জায়গা নিয়েই কাজ করবে এসজি।
ইডেন গার্ডেনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি শুরু হবে ২২ নভেম্বর। ততদিনে শীতের আভাস চলে আসবে। সন্ধ্যার আগে শিশির পড়া শুরু হবে। কলকাতা টেস্টে তাই স্পিনারদের ভূমিকা কমে যাবে। পেস আক্রমণের ওপর ভরসা করতে হবে বাংলাদেশ-ভারতের। উমেশ যাদব-মোহাম্মদ শামিরা অবশ্য ঘরের মাঠেও ভালো পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন। তবে তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে রিভার্স সুইং পাওয়া। পেসাররা যাতে লাল বলের মতো সুবিধা পায় সেটাই নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে এসজিকে।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এরই মধ্যে এসজির কাছে ৭২টি গোলাপি বল চেয়েছে। আগামী সপ্তাহে তারা ওই বল পেয়ে যাবে। বাংলাদেশ দল যখন টি-২০ সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে ততদিনে গোলাপি বল নিয়ে ইশান্ত শর্মা-উমেশ যাদব কিংবা চেতেশ্বর পূজারা-কোহলিরা কাজ করার সুযোগ পেয়ে যাবেন। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তথা ক্রিকেটাররা লাল বলের সঙ্গে মানানসই গোলাপি বল বানানোর প্রস্তাব দিলেও সেই বল এসজি ঠিকঠাক প্রস্তুত করতে পারবে কি-না তা নিয়ে সংশয় আছে।
গত বছর এসজির প্রস্তুত করা লাল বল ভারতীয় ক্রিকেটারদের সমালোচনার মুখে পড়ে। ইংল্যান্ডের ডিউক বল কিংবা অস্ট্রেলিয়ার কুকাবুরার মতো মান এসজি বলের নয় বলে প্রশ্ন তোলা হয়। এ নিয়ে পরশ আনন্দ বলেন, ‘পরেরবার আমরা লাল বলটা আগের চেয়ে শক্ত বানিয়েছিলাম। ভারতীয় দল সেটা পছন্দও করেছিল। গোলাপি বলও আমরা শক্ত করার চিন্তা করছি।’ ২০১৬ সালের দিলিপ ট্রফি গোলাপি বলে আয়োজন করে ভারতীয় বোর্ড। সেটার ফল ভালো আসেনি। ক্রিকেটাররা অভিযোগ করেন বল দ্রুতই রঙ হারায়। বল গ্রিফ করায় কঠিন হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ-ভারত লাল বলে কিভাবে মানিয়ে নেয় এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।