সাত উইকেটে ৬০০ রাজ্জাকের, এবাদতের পাঁচ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০১৯ | ০৫:৫৪
জাতীয় দল থেকে অনেক আগেই ব্রাতা হয়ে পড়েছেন আব্দুর রাজ্জাক। টেস্টেও জাতীয় দলে নিজেকে প্রতিষ্ঠাই করতে পারেননি। খেলেছেন মাত্র ১৩ টেস্ট। অথচ জাতীয় লিগে নিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ধরে রেখেছেন বাঁ-হাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। রোববার জাতীয় লিগের চতুর্থ রাউন্ডের প্রথম দিন রংপুর বিভাগের বিপক্ষে তিনি তুলে নিয়েছেন সাত উইকেট। ছুঁয়েছেন ছয়শ' উইকেটের মাইফলক। বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ছয়শ' উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।
চেনা মাঠ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যখন রংপুরের বিপক্ষে নামছেন তখনও ছয়শ' উইকেটের মাইলফলক ছুঁতে ৬ উইকেট দরকার রাজ্জাকের। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আগেই দেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন তিনি। নতুন মাইলফলক রংপুরের বিপক্ষেই হয়ে যাবে এই প্রত্যাশা নিয়ে নামেন তিনি। তবে প্রথম ইনিংসেই মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলবেন এটা নিশ্চয় ভাবেননি রাজ্জাক।
তার বোলিং ঘূর্ণিতে প্রথম ইনিংসে ২২৪ রানে অল আউট হয়ে গেছে রংপুর বিভাগ। দলের হয়ে তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন করেন সর্বোচ্চ ৪২ রান। এছাড়া নাসির হোসেন ৪০ রান করেন। রবিউল হককে তুলে নিয়ে নিজের ছয়শ' উইকেট পূর্ণ করেন আব্দুর রাজ্জাক। প্রথম ইনিংস থেকে স্পিন ঘূর্ণিতে ৭ উইকেট তুলে নেওয়ার পথে শেষে আউট করেন রিশাদকে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আব্দুর রাজ্জাকের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট এনামুল হক জুনিয়রের। তার উইকেট ৪৭৭টি।
আব্দুর রাজ্জাকের স্পিন ঘূর্ণির দিনে কক্সবাজারের শেখ কামাল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পেস বোলিংয়ে ঝড় তোলেন এবাদত হোসেন। তিনি সিলেটের হয়ে বরিশাল বিভাগের বিপক্ষে তুলে নেন ৫ উইকেট। তার পেস বোলিং তোপে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় বরিশাল। ভারত সফরের আগে তরুণ এই পেসার বাড়িয়ে নেন বাড়তি আত্মবিশ্বাস। বরিশাল দ্রুত ধসে যাওয়ার পরে ব্যাট করতে নেমে সিলেট প্রথম ইনিংসে ১ উইকেট হারিয়ে ৮২ রান তু্লে প্রথম দিন শেষ করেছে।
- বিষয় :
- খেলা
- ক্রিকেট
- জাতীয় লিগ
- রাজ্জাক ছয়শ' উইকেট