ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সিরিজ বাঁচাতে ১৯১ রান দরকার বাংলাদেশের

সিরিজ বাঁচাতে ১৯১ রান দরকার বাংলাদেশের
×

ফাইল ছবি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৫ | ১৭:৩৫ | আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৫ | ২১:৪৪

সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বাংলাদেশের বোলাররা। বিশেষ করে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিজাদুতে দিশেহারা হয়ে পড়ে আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানের একার ৯৫ রানের ইনিংসের পরও আফগানরা গুটিয়ে গেছে মাত্র ১৯০ রানে। আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ সমতায় ফিরতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ১৯১ রান।

শনিবার বাঁচা-মরার এই ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। আগের ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স করা তানজিম হাসান সাকিব এবারও নতুন বলে আগুন ঝরান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারেই তিনি ফিরিয়ে দেন ভয়ংকর ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজকে। কিছুক্ষণ পর আরেক ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতালকে সাজঘরে পাঠান বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলাম। শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আফগানিস্তান।

এরপরই মঞ্চে আবির্ভাব লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের। এই দুই স্পিনার মিলে আফগানদের মিডল অর্ডারকে ধসিয়ে দেন। মিরাজ দারুণ এক ডেলিভারিতে আফগান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহীদিকে বোল্ড করার পরের ওভারেই আক্রমণে এসে আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে শূন্য রানে সাজঘরের পথ দেখান রিশাদ। এই জোড়া আঘাতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে আসে।

তবে একপ্রান্তে উইকেট পতনের মিছিলের বিপরীতে একাই লড়াই চালিয়ে যান ইব্রাহিম জাদরান। ২৭ রানে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহানের হাতে জীবন পাওয়ার পর তিনি খেলেছেন ১৪০ বলে ৯৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। তার ১৪০ বলের ইনিংসটিতে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কার মার। তবে দলের আর কোনো ব্যাটার তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। মোহাম্মদ নবির সঙ্গে ৩৯ রানের জুটি গড়ার পর তাকে ফেরাতে মিরাজের বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে নেওয়া দুর্দান্ত ক্যাচটি ছিল চোখে পড়ার মতো।

এরপর তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত এক সরাসরি থ্রোয়ে ভাঙে আরেকটি জুটি। জমে যাওয়া আরেকটি জুটি ভাঙল তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে। তার সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট  হন নানগেয়ালিয়া খারোটে। তার বিদায়ে ভাঙে ৪৮ বল স্থায়ী ৩৬ রানের জুটি। খারোটে ২৪ বলে করেন ১৩ রান। একই ওভারের শেষ বলে রশিদ খানের উইকেটও নিয়েছে সফরকারীরা। মিরাজের বলে তানভীর ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন।  ২ বলে ১ রান করেছেন রশিদ।

শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি থেকে মাত্র পাঁচ রান দূরে থাকতে মিরাজের বলেই আউট হন জাদরান। গাজানফার বিদায় নিলে আবারো মাঠে নামেন রহমত শাহ। তবে চোট নিয়ে খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি। তাতে ৪৪.৫ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রানে থামে আফগানিস্তানের ইনিংস।

অধিনায়ক মিরাজ ও রিশাদ হোসেন দুজনেই ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। তানজিম সাকিব নেন ২টি উইকেট। বোলারদের তৈরি করে দেওয়া এই মঞ্চে এখন ব্যাটারদের দায়িত্ব সহজ জয় তুলে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরানো।

আরও পড়ুন

×