নবীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ০৭:১৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় গৃহবধূকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের মামলায় হোসাইন আহমেদ (২৬) নামের এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারের পর গতকাল বুধবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠনো হয়েছে।
হোসাইন আহমেদ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গজনাইপুর গ্রামের দুলা মিয়ার ছেলে এবং গজনাইপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য। তিনি গজনাইপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী, নবীগঞ্জ উপজেলা তারেক পরিষদের যুগ্ন আহ্বায়ক, মুশহাদা সংগঠনের সদস্যসচিব এবং দিনারপুর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (ডিডিএ)-এর সদস্য পরিচয় ব্যবহার করে আসছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দেবপাড়া ইউনিয়নের এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হোসাইন আহমেদের পরিচয় হয়। এর পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই নারীকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত ও উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। হোসাইন গত সোমবার গভীর রাতে ওই গৃহবধূর বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে ধর্ষণ করেন। এ সময় গৃহবধূর চিৎকার শুনে পাশের ঘর থেকে মা-বাবা তাঁর ঘরে গিয়ে হোসাইনকে ধরে ফেলেন। পরে প্রতিবেশীরা গিয়ে তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় হোসাইন আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের করা মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দেবীগঞ্জে মামি-ভাগনিকে দলবদ্ধ ধর্ষণ
দেবীগঞ্জ উপজেলায় মামি-ভাগনি দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের মো. পারভেজ, রাসেল ইসলাম ও বিশ্বজিৎ।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ৩১ মে রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে মামি ও ভাগনি বাড়ি ফেরেন। দরজায় তালা দেখে দুজন রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে কয়েক ব্যক্তি এসে ভাগনিকে জোর করে তুলে একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে মামিকেও জোর করে ওই ভ্যানে তুলে করতোয়া নদীর পারে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়। দুজনকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত
চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
রায়গঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
রায়গঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় মো. শান্ত নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২। গতকাল বুধবার সিরাজগঞ্জ-নলকা আঞ্চলিক সড়কের সৈয়দ স্পিনিং মিল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব জানায়, গত ২৬ এপ্রিল সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন শান্ত। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনি এ ঘটনা ঘটান। গত ৩ মে নির্যাতিত শিশুর বাবা বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
উল্লাপাড়ায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক ১
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আবু হানিফ (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। গতকাল বুধবার পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন জানায়, আবু হানিফ শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার এবং হানিফকে ধরে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উল্লাপাড়া থানায় নিয়ে আসে। উল্লাপাড়া মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা]
- বিষয় :
- ধর্ষণ
