ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

স্বাগতিকদের বাড়তি সুবিধা দিতে বিশ্বকাপের মাঝপথে সূচি বদলাল আইসিসি

স্বাগতিকদের বাড়তি সুবিধা দিতে বিশ্বকাপের মাঝপথে সূচি বদলাল আইসিসি
×

ছবি- ক্রিকইনফো

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:০৩

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝপথে এসে সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। নতুন এই নিয়মে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার সামনে নিজেদের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে ঘরের মাঠে নকআউটের এই লড়াইয়ে নামতে হলে লঙ্কানদের সামনে রয়েছে বেশ কিছু জটিল সমীকরণ।

ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা যদি সুপার এইট পেরিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে এবং তাদের প্রতিপক্ষ যদি ভারত বা পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোনো দল হয়, তবে সেই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে।

সব পক্ষকে পাঠানো আইসিসির আনুষ্ঠানিক চিঠিতে সেমিফাইনালের ভেন্যু নিয়ে বিভিন্ন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে- পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠলে আগামী ৪ মার্চ কলম্বোতেই প্রথম সেমিফাইনাল খেলবে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তান যদি সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় এবং শ্রীলঙ্কা ওঠে, তবে ভারত ছাড়া অন্য যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কলম্বোতেই প্রথম সেমিফাইনাল খেলবে স্বাগতিকরা। পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কা- এই দুই দলের কেউই যদি সেমিফাইনালে উঠতে না পারে, তবে প্রথম সেমিফাইনালটি অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে।

সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারত সেমিফাইনালে উঠলে প্রতিপক্ষ যে-ই হোক না কেন, তাদের ম্যাচটি (দ্বিতীয় সেমিফাইনাল) হবে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। তবে, সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ যদি পাকিস্তান হয়, তবে হাইভোল্টেজ ম্যাচটি মুম্বাইয়ের বদলে কলম্বোর প্রেমাদাসায় অনুষ্ঠিত হবে।

সুপার এইটে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একই গ্রুপে অবস্থান করছে। ফলে সেমিফাইনালে এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু কলম্বোর ভেন্যুতে পাকিস্তানের অগ্রাধিকার রয়েছে, তাই নিজেদের মাঠে সেমিফাইনাল খেলতে হলে সুপার এইট থেকেই পাকিস্তানের বিদায় কামনা করতে হবে লঙ্কানদের।

গত বছর আইসিসি যে সূচি ঘোষণা করেছিল, সেখানে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে রাখা হলেও স্বাগতিকরা উঠলে কী হবে, সে বিষয়ে পরিষ্কার কিছু বলা ছিল না। এবার নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে মূলত সেই শূন্যস্থানই পূরণ করল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আরও পড়ুন

×