স্বপ্ন পূরণের পর শচীনকে ধন্যবাদ সঞ্জুর
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬ | ১৩:২৫ | আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ | ১৩:৪৬
রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতের ২০২৪ টি২০ বিশ্বকাপজয়ী দলে ছিলেন সঞ্জু স্যামসন। দুই বছর আগে মেডেল পেলেও শিরোপা জয়ের আনন্দটা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেননি তিনি। একটি ম্যাচেও মাঠে নামার সুযোগ না পেলে কী বিশ্বজয়ী মেডেলের কোনো মূল্য থাকে! বারবাডোজের সেই রাতেই একটা স্বপ্ন দেখেছিলেন সঞ্জু, আগামী বিশ্বকাপটা তিনি নিজে জেতাতে চান। দুই বছর পর তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। স্বপ্ন পূরণের রাতে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে। ‘শচীন (টেন্ডুলকার) স্যারের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ ছিল। যখনই দলের বাইরে ছিলাম, শচীন স্যারের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। তিনি যে এভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন, তা ভাবতেও পারিনি।’
এবারের বিশ্বকাপে পাঁচটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। তাতেই ৩২১ রান করে আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। এর মধ্যে শেষ তিন ম্যাচে তাঁর স্কোর ৯৭, ৮৯ ও ৮৯ রান। ছক্কা মেরেছেন সবচেয়ে বেশি ২৪টি। স্বভাবতই আসরের সেরা হয়েছেন। সেই সেরার পুরস্কার নিতে গিয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি আওড়ালেন সঞ্জু, ‘স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। সত্যি বলতে, এই স্বপ্ন দুই বছর আগে দেখেছিলাম। ২০২৪ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলাম। কিন্তু একটা ম্যাচও খেলার সুযোগ পাইনি। স্বপ্ন দেখতাম, পরিশ্রম করতাম। সেবারও এটাই করতে চেয়েছিলাম, এবার পেরেছি।’
এই প্রত্যাবর্তন সহজ ছিল না। বিশ্বকাপের আগে আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সুযোগ পেলেও রান করতে পারেননি সঞ্জু। শুরুতে সেটাই দেখা যায়, অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিষান ওপেন করেন। কিন্তু ক্রিকেট দেবতার খেয়াল ছিল ভিন্ন। একের পর এক ম্যাচ ব্যর্থ হতে থাকেন অভিষেক। তখন সঞ্জুকে সুযোগ দেওয়ার দাবি ওঠে। একটি সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অধিনায়ক সূর্যকুমার কিছুটা কটাক্ষই করেন। শেষ পর্যন্ত বিকল্প পথে যেতেই হয় কোচ গৌতম গম্ভীরকে। ফেরাটা যে কঠিন ছিল, সেটা সঞ্জু নিজেও স্বীকার করেছেন, ‘নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর ভেঙে পড়েছিলাম, স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল। বুঝতে পারছিলাম না কী করব। কিন্তু ঈশ্বরের অন্য পরিকল্পনা ছিল। আবার সুযোগ পাই, এবার আর সুযোগ নষ্ট করতে চাইনি।’
- বিষয় :
- শচীন টেন্ডুলকার
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
