ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেও ‘ফুরিয়ে যাওয়ার’ শঙ্কায় কোহলি!

ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেও ‘ফুরিয়ে যাওয়ার’ শঙ্কায় কোহলি!
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬ | ১৪:৫২

‘১৫ বছর ধরে যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলেছি, তাতে সব সময় ভয় থাকে এই বুঝি ফুরিয়ে যাব!’ হায়দরাবাদের বিপক্ষে মাত্র ৩৮ বলে ৬৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলার পরই কথাগুলো বলছিলেন বিরাট কোহলি। তার এমন কথা শোনার পর ভক্তদের হৃদকম্পন বেড়ে যেতেই পারে। বিশ্বের বাঘা বাঘা বোলাররা যাকে যমের মতো ভয় পায়, সেই কোহলি কিনা ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ভুগছেন! তাহলে কি অবসরের দিন আর বেশি দূরে নয়?

টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের পর কোহলির উপস্থিতি এখন অনেকটাই কমে গেছে। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে সর্বশেষ খেলেছিলেন গত আইপিএলের ফাইনালে। এরপর গত জানুয়ারিতে জাতীয় দলের জার্সিতে গোটা তিনেক ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন। তারপর কেবলই অপেক্ষা। অবশেষে আইপিএলের প্রথম ম্যাচে আবারও চেনা বাইশ গজে পাওয়া গেল ভারতের সাবেক এই অধিনায়ককে।

ফিরেই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হায়দরাবাদের বোলারদের রীতিমতো শাসন করেছেন তিনি। ৫ চার ও ৫ ছক্কায় সাজানো ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছেন কোহলি। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর পরের ৫ বলে করেছেন আরও ১৯ রান।

ম্যাচ শেষে নিজের ফিটনেস ও মানসিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কোহলি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে শেষ ম্যাচটা খেলেছি গতবারের আইপিএল ফাইনালে। ফলে ওয়ানডে সিরিজগুলো আমাকে মোমেন্টাম ধরে রাখতে সাহায্য করেছে। যদি ছন্দ থাকে এবং ফিটনেস নিয়ে ঠিকঠাক কাজ করতে পারি, তাহলে সমস্যা হবে না জানতাম। তবে গত ১৫ বছরে যতটা ক্রিকেট খেলেছি, ক্লান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকেই। তাই এই বিরতিগুলো সাহায্যই করে। ফ্রেশ থাকতে পারি। ক্রিকেট নিয়ে আমার মধ্যে যেন উত্তেজনাটা থাকে।’

ক্লান্তি বা ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকলেও মাঠে নামলে এখনও নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে চান কোহলি। দলের জয়ে অবদান রাখাই তার মূল লক্ষ্য। কোহলি বলেন, ‘ক্রিকেটার হিসেবে আমি সব সময় চাই দলের জয়ে অবদান রাখতে। সেটা যদি না পারি, তাহলে জায়গা ধরে রাখার মানে হয় না। মাঠে নেমে ১২০ শতাংশ দিতে পারি। তৈরি না হয়ে খেলতে আসাটা আমার পছন্দ নয়। দলের কাজে লাগাটাই লক্ষ্য থাকে।’

আরও পড়ুন

×