হাকিমিদের ইউরোপ জয়ের চ্যালেঞ্জ
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬ | ১১:২০
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের প্রথম রাউন্ড শেষ হয়েছে। সাদামাটা বিশ্লেষণে আফ্রিকার দলগুলো চমকে দিয়েছে। পর্তুগালকে আটকেছে ডিআর কঙ্গো, কেপ ভার্দের দেয়াল ভাঙতে পারেনি স্পেন, বেলজিয়ামকে রুখেছে মিসর, আর ব্রাজিলকে জিততে দেয়নি মরক্কো। মুদ্রার অন্য পিঠও আছে। আফ্রিকার প্রতিনিধিরা চলতি বিশ্বকাপে ফুটবলের এলিট কিংবা বুর্জোয়া শ্রেণি ইউরোপের কোনো দলকে এখনও হারাতে পারেনি।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩৭তম ও বিশ্বকাপে অনিয়মিত স্কটল্যান্ডও গায়ে বুর্জোয়ার ব্লেজার পরে আছে। ব্রিটিশসংবাদমাধ্যম ‘মরক্কোকে হারালেই নকআউট নিশ্চিত’ শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপছে। স্কটিশদের এই ইউরোপীয় দম্ভ চূর্ণ করার সুযোগ আফ্রিকার নতুন পরাশক্তি মরক্কোর সামনে। ব্রাজিলের বিপক্ষে ড্রকে আশরাফ হাকিমিদের বড় সাফল্য বলা হচ্ছে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয় ভিন্ন ফলকে ব্যর্থতা ধরা হবে। এতে বিদায়ের শঙ্কায় পড়বে দলটি।
আগামীকাল শনিবার ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে ভোর ৪টার এই ম্যাচে মরক্কোর আক্রমণভাগে কৌশলগত পরিবর্তন আসতে পারে। কোচ মোহামেদ ওহাবিকে মিডফিল্ডার সোফিয়ান আম্রাবাতের ফিটনেস নিয়ে মাথা ঘামাতে হচ্ছে। ডিফেন্ডার নায়েফ আগুয়ের্ড ও আশরাফ হাকিমিকে সতেজ পাওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তা আছে। রক্ষণাত্মক ফুটবলের পাশাপাশি মরক্কো গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মিডফিল্ডে আরও নিয়ন্ত্রণের চিন্তা করতে পারে।
সংবাদমাধ্যম গোল দাবি করেছে, কাউন্টার অ্যাটাকের ধার বাড়াতে স্ট্রাসবার্গে খেলা ২০ বছর বয়সী সামির এল মৌরিবাতকে শুরুর একাদশে রাখতে পারেন কোচ।
হাইতির বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচে স্কটল্যান্ড রক্ষণে ছাড় না দিয়ে খেলেছে। নাপোলির স্কট ম্যাকটমিনে ও অ্যাস্টন ভিলার জন ম্যাকগিন থাকায় স্কটল্যান্ডের কোচ স্টিভ ক্লার্ক মিডফিল্ডে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে। তবে তাঁর দলের আক্রমণের দুর্বলতা ঢাকা যায়নি। জয় পাওয়া ওই ম্যাচের একাদশে পরিবর্তন দেখলে তাই অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। মরক্কোর বিপক্ষে জিততে পারলে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট নিশ্চিত হবে স্কটিশদের।