আনচেলত্তি বলেন, ‘আগামীকাল রাফিনহার চোটের জায়গায় বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা (স্ক্যান) করা হবে। এই মুহূর্তে আসলে চোটের গভীরতা কতটা, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আমাদের মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষা করতেই হবে।’
বাংলাদেশের স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের ৪০ মিনিটের মাথায় হঠাৎ করেই মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন রাফিনহা। এরপর নিজেই ইশারায় মেডিকেল টিমকে ডেকে নেন। মাঠেই চলে প্রাথমিক চিকিৎসা। কিন্তু পরে আর তার পক্ষে খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকদের সহায়তায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন এই ব্রাজিল তারকা।
এদিকে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফরোয়ার্ড রাফিনহা তার ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা পান। তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে এবং পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। মেডিকেল টিমের কাছ থেকে তার চোটের বিষয়ে আরও তথ্য পেলে পরবর্তীতে জানানো হবে।’
ব্রাজিল জাতীয় দলের শুরুর একাদশের নিয়মিত মুখ রাফিনহা। তার চোট ব্রাজিলের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ। জাতীয় দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য এ উইঙ্গার আগেও একই ধরনের সমস্যায় ভুগেছেন। মার্চে ফ্রান্সের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ডান উরুর পেছনের পেশিতে চোট পেয়েছিলেন তিনি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে কিংবা টুর্নামেন্টের বাকি অংশে তাকে পাওয়া যাবে কি না, তা বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় চোটের মাত্রা নির্ধারণ করা হলে জানা যাবে।
