হতশ্রী ব্যাটিংয়ে টাইগারদের সঙ্গী হোয়াইটওয়াশের লজ্জা
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬ | ১৭:১৯ | আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ | ১৭:৪০
ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস সঙ্গী করেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে ফরম্যাট বদলের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সও। ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হাতছাড়া করা স্বাগতিকদের সামনে আজ ছিল হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর চ্যালেঞ্জ। সেখানেও মুখ থুবড়ে পড়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। শেষ ম্যাচেও হেরে বাংলাদেশ দলের সঙ্গী হয়েছে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা।
রোববার (২১ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৫৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন বাংলাদেশি ব্যাটাররা। এদিন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ছাড়া আর কারো ব্যাট কথা বলেনি অজি বোলারদের সামনে। ক্রিজের একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করা হৃদয়ের ৬১ রানের সুবাদে বাংলাদেশের দলীয় রান ১০০ পেরোয়। অন্যথায় সঙ্গী হতে পারতো অলআউট হওয়ার লজ্জাও। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১০৯ রানের সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। জবাবে মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার মিচেল মার্শ একাই বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন। ২৮ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি।
বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট পান শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন।
এর আগে ম্যাচের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারে রানআউটের ফাঁদে কাটা পড়েন তানজিদ হাসান তামিম। একই ওভারে ফিরে যান সাইফ হাসান। ৩ নম্বরে নামা পারভেজ হোসেন ইমন ফেরেন ১৩ বলে মাত্র ১ রান করে।
পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটের ২২ রান। মিডল অর্ডারে নুরুল হোসেন সোহান কিংবা শামীম হোসেন-কেউই দলের হাল ধরতে পারেননি। এর মধ্যে শামীম ফিরেছেন রানের খাতা খোলার আগেই।
৩৬ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক হৃদয়। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে শতরান পার করান তিনি। এ সময় তাকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন রিশাদ হোসেন। কিন্তু তিনিও দলকে বেশিদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। ১৬ রানে নিখিল চৌধুরীর বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে থামেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান খরচায় ২ উইকেট নেন স্পেন্সার জনসন। এছাড়া নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি করে এবং নিখিল চৌধুরী পান একটি উইকেট।
