ডি পলের ক্যান্ডির গল্পে লুকানো যে আবেগ
লিয়ান্দ্রো পারদেস ও রদ্রিগো ডি পল। ছবি: টিওয়াইসি
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬ | ২১:০৯ | আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬ | ২১:১০
কোপা আমেরিকার ২০২১ আসর থেকে রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রো পারদেসদের ক্যান্ডি খাওয়ার বিষয়টি প্রথম সামনে এসেছিল। কাতার বিশ্বকাপেও তারা নিয়মিত ক্যান্ডি খেয়েছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপেও ম্যাচের আগে ক্যান্ডি খাচ্ছেন ডি পলরা।
আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যম দাবি করেছিল, ক্যান্ডি খেয়ে বিশ্বকাপ জিতেছে, এই কুসংস্কারের অংশ হিসেবে এবারো ক্যান্ডি খাচ্ছে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। এছাড়া মেসিরা ম্যাচের আগে একত্রে বারবিকিউ পার্টিও করছেন।
তবে ডি পলের মা মনিকা জানিয়েছেন, গল্পের পেছনে লুকিয়ে আছে এক বিশাল আবেগ। ডি পলের নানা অসভালদো কিশোর ডি পলকে ফুটবল ক্লাবে রেখে আসার সময় কিছু পয়সা দিয়ে আসতেন। যাতে ডি পল তার পছন্দের ক্যান্ডি কিনে খেতে পারেন। কিন্তু ওই পয়সা দিয়ে ফেরার পথে তার নানা হেঁটে বাড়ি ফিরতেন।
অসভালদো ২০০৯ সালে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। ডি পলের শীর্ষ লিগে কিংবা জাতীয় দলে অভিষেক দেখে যেতে পারেননি।
নানার এই ত্যাগের কথা ডি পল বহু বছর জানতেন না। জানার পর থেকে নানার স্মৃতি ও কষ্টের প্রতি সম্মান জানিয়ে, ক্যান্ডি খাওয়া শুরু করেন তিনি।
ডি পলের মা মনিকা বলেন, ‘অনেক বছর ডি পল জানতো না যে, পয়সাগুলো বাসভাড়া হিসেবে দেওয়া হতো। টিফিনে ক্যান্ডি খাওয়ার জন্য না। তাকে কয়েন দেওয়ায় তার নানাকে হেঁটে আসতে হতো।’
এর আগে পারদেস জানিয়েছেন, তিনি নিজে ম্যাচের আগে নীল ও হলুদ রঙয়ের ৮টি ক্যান্ডি খান। ডি পল ম্যাচের আগে ১৪টি ক্যান্ডি খান, তবে রঙের কোন বিষয় নেই তার। এছাড়া ডি পল নানার সম্মানে তার বাহুতে ‘ফরএভার ইন মাই হার্ট (হৃদয়ে অমলিন থাকবে)’ ট্যাটু করেছেন।
- বিষয় :
- ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬
- রদ্রিগো ডি পল
