ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মার্তেনেল্লির গোলে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল

মার্তেনেল্লির গোলে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল
×

ব্রাজিলের গোল উদযাপন। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬ | ২২:১২ | আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ | ০১:৩৫

এশিয়ার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছিল জাপান। শক্তিশালী ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজস্ব স্বত্তার ফুটবলের শক্তিও দেখিয়েছে। সেলেসাওদের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ১-০ গোলের লিড তুলে নিয়েছিল নীল সামুরাইরা। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কাসেমিরো এবং শেষে মার্তেনেল্লির গোলে ২-১ গোলে জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় হিউস্টনের ম্যাচে ছোট পাস, বলের দখল ধরে রেখে ব্রাজিলিও ধারায় আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করছিলেন ব্রুনো গিমারেজরা। প্রথমার্ধের শুরুতে জাপানের ফাইনাল থার্ডে সেসব আক্রমণের মৃত্যু ঘটছিল। সেলেসাও কোচ কার্লো আনচেলত্তি কৌশলে সুবিধা আদায় করতে ম্যাথিউস কুনিয়াকে নাম্বার টেন পজিশনে শিফট করে লুকাস পাকুয়েতাকে ওয়াইড লেফট উইঙ্গার হিসেবে খেলাচ্ছিলেন।

কিন্তু সেসব কৌশলের জলাঞ্জলি ঘটে ম্যাচের ২৯ মিনিটে জাপানের দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাকে। নিজেদের অর্ধ থেকে বলের পজিশন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুততার সঙ্গে ব্রাজিলের অর্ধে ঢুকে পড়ে জাপান। বক্সের ঠিক বাহির থেকে স্পেস পেয়ে শট নেন কায়সু সানো। লাফিয়ে পড়েও ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন কিছুই করতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইনজুরিতে পড়া মিডফিল্ডার পাকুয়েতাকে বদলি করে তরুণ এন্ডিককে মাঠে নামান ব্রাজিলের কোচ। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি করেছিল ব্রাজিল। ক্রস খেলে একের পর এক আক্রমণ তুলে ৫২ মিনিটে ব্রুনো গিমারেজের দারুণ হেড ফেরান জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি। ৫৪ মিনিটে ক্রস থেকে কাসেমিরোর হেডও ফেরান তিনি। কিন্তু ৫৬ মিনিটের হেড আর ফেরানোর সুযোগ পাননি জাপানের গোলরক্ষক। কাসেমিরো দলকে ১-১ গোলের সমতায় ফেরান। 

আক্রমণের ধার আরও বাড়াতে ৬৬ মিনিটে ম্যাথিউস কুনিয়াকে বদলি করে গ্যাব্রিয়েল মার্তেনেল্লিকে নামান ডন কার্লো। সমতায় শেষ করার লোভে জাপান লো ব্লকে খেলতে শুরু করে। ব্রাজিলের ছন্নছাড়া আক্রমণও সেই ব্লক খোলার মতো খুব একটা কার্যকরী সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। লিডের আশায় ক্রস খেলেও শেষ দিকে লাভ হচ্ছিল না। 

ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে রেফারি ৬ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেন। ম্যাচ তখন অতিরিক্ত আরও ৩০ মিনিটে যাওয়ার অপেক্ষায়। ঠিক সেই মুহূর্তে মিডফিল্ডার গিমারেজের বক্সে ছোট্ট করে বাড়ানো পাস দারুণ দক্ষতায় ধরে ছোট করে শট নেন আর্সেনালের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মার্তেনেল্লি। ম্যাচের তখন ৯৫ মিনিট। শেষ বাঁশির অপেক্ষা। মার্তেনেল্লির শট ডান প্রান্ত দিয়ে চলে যায় জালে। গ্যালারিতে ওঠে জয়ের হলুদ উল্লাস।

আরও পড়ুন

×