ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

ইতালিকে পথ দেখালেন দুই ভাই

ইতালিকে পথ দেখালেন দুই ভাই
×

ইতালির জয়ে নেতৃত্ব দেন দুই ভাই ফ্রান্সিসকো ও সেবাস্তিয়ানো। ছবি-এক্স

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২:৩৬ | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:৫৬

অবশেষে হারিয়ে যাওয়া ছন্দ ফিরে পেতে শুরু করেছে ইতালি। গত সোমবার ৪-১ গোলে তুরস্ককে উড়িয়ে দিয়ে ইতালির কোচ হিসেবে দ্বিতীয় দফায় প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছেন রবার্তো মানচিনি। দারুণ এ জয়ে একটি করে গোল করেছেন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, দাভিদ ফ্রাত্তেসি, মাইকেল কায়োদে ও ফ্রান্সিসকো পিও এসপোসিতো। 

ইতালির এ জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন আক্রমণভাগে খেলা দুই ভাই ফ্রান্সিসকো এসপোসিতো ও সেবাস্তিয়ানো এসপোসিতো। সেন্টার ফরোয়ার্ড ফ্রান্সিসকো একটি গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন। লেফট উইঙ্গার সেবাস্তিয়ানো গোল না পেলেও আক্রমণ গড়তে  দারুণ ভূমিকা রেখেছেন। এসপোসিতো ভাইদের জন্য ম্যাচটি কিক-অফ থেকেই ছিল স্পেশাল। ইতালি জাতীয় দলের হয়ে একই ম্যাচে মাঠে নামা ভাইদের তালিকায় তারা চতুর্থ। এর আগে এই কীর্তি ছিল ফিলিপ্পো ইনজাগি ও সিমোনে ইনজাগি (দুবার), আলদো লুইজি চেভেনিনি ও লুইজি চেভেনিনি (একবার) এবং জুসেপ্পে মিলানো ও ফেলিচে মিলানো (তিনবার)। 

তবে অতীতে ভাইদের জুটিগুলো খুব বেশি ম্যাচ একসঙ্গে খেলতে পারেনি। পিও এসপোসিতো অবশ্য বড় ভাইয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে দীর্ঘদিন ইতালির হয়ে খেলার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছেন, ‘তাঁর সঙ্গে একই মাঠে খেলাটা ছিল ভীষণ আবেগঘন এক অভিজ্ঞতা। আমি ম্যাচের আগে থেকেই তাঁকে সমর্থন করার চেষ্টা করে গেছি, যেন সে কোনো রকম চাপ অনুভব না করে। আশা করছি, দুই ভাই আরও অনেক ম্যাচে একসঙ্গে ইতালির জার্সি পরে মাঠে নামতে পারব।’ ছোট ভাই পিও এসপোসিতোর জন্য এটা ১১তম ম্যাচ এবং বড় ভাই সেবাস্তিয়ানোর জন্য এটি ছিল জাতীয় দলের অভিষেক ম্যাচ। পিও এসপোসিতো গোলটা উৎসর্গ করেছেন অসুস্থ দাদিকে, ‘আমার গোলটি আমি দাদিকে উৎসর্গ করছি, যিনি এখন ভীষণ কঠিন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।’ 

বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হারা ম্যাচের একাদশে আটটি পরিবর্তন এনে তুরস্কের বিপক্ষে দল সাজিয়ে ছিলেন ইতালির কোচ। সেই পরিবর্তনগুলো যে ভীষণ কার্যকর ছিল, সেটা ম্যাচের শুরুতেই বোঝা গেছে।

ওলিসের অবিশ্বাস্য গোল!
ব্রাসেলসে পুরো ম্যাচেই দাপট ছিল ফ্রান্সের। কিন্তু বেলজিয়ামের গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারছিলেন না, ফরাসিদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ক্রসবারও। শেষ পর্যন্ত বদলি হিসেবে নেমে গোলের তালা খুলেন মাইকেল ওলিসে। ম্যাচের অন্তিম সময়ের দুর্দান্ত এক গোলে ১-০ ব্যবধানে ফ্রান্সকে জয় এনে দেন তিনি।

৮৮ মিনিটে রায়ান চেরকির ক্রস নিজেদের সীমানায় বুক দিয়ে নামিয়ে সঙ্গে লেগে থাকা প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে ছিটকে ফেলে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যান ওলিসে। সামনে ছিল বেলজিয়ামের আরও দুজন। বক্সে ঢুকে তাদের কোনো সুযোগ না দিয়ে নিচু শটে বল জড়িয়ে দেন বেলজিয়ামের জালে।  জয়ের পর জিদানের ব্যাখ্যা শুনে মনে হবে, তখন তিনি ওলিসের সঙ্গেই বুঝি ছিলেন, ‘খেলার ছন্দে যেন ভেসে গিয়েছিলাম, ওই মুহূর্তটার অংশ হতে চেয়েছি। বুঝতে পারছিলাম ও ড্রিবলিংয়ে আছে, আর দুর্দান্ত একটা মুভ তৈরি করছে। তাই আমিও (মনে মনে) তাঁর পেছন পেছন গেলাম। হঠাৎ দেখি সামনে একটা বল, ভাবলাম ওটায় লাথি মারা যাক।’

আরও পড়ুন

×